তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষটিতে শুরুতে ৯ রানে ২ উইকেট গেল। সেখান থেকে বাংলাদেশকে টেনে নেন সৌম্য সরকার ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজনের ফিরে যাওয়ার পর হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও জাকের আলী অনিক। তাদের ১৫০ রানের রেকর্ড জুটিতে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর মিশনে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩২২ রানের লক্ষ্য দিয়েছে টিম টাইগার্স।
সেন্ট কিটসের ওয়ার্নার পার্কে টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটে আমন্ত্রণ জানায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ৩২১ রান তুলেছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। তানজিদ হাসান তামিম ও লিটন দাস ফিরে যান রানের খাতা খোলার আগেই। সেখান থেকে টেনে তোলেন মিরাজ ও সৌম্য। ১২৭ বলে ১৩৬ রানের জুটি গড়েন দুজনে। ২৩.৩ ওভারে জুটি ভাঙেন গুডাকেশ মোতি। লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন সৌম্য। আম্পায়ার বোলারের আবেদনে সাড়া দেন। রিভিউ নেন সৌম্য, তবে লাভ হয়নি। চারটি করে চার ও ছক্কায় ৭৩ বলে ৭৩ রানের দারুণ ইনিংস খেলে ফিরে যান তিনি।
১৭১ রানে দুই ব্যাটারকে হারায় বাংলাদেশ। ৩০তম ওভারের তৃতীয় বলে শেফার্ডের বল পয়েন্টে খেলেন আফিফ। ননস্ট্রাইকে থাকা মিরাজ রানের জন্য দৌড়ান। বল রাদারফোর্ডের হাতে জমা পড়ায় ফিরে আসার চেষ্টা করেন। তবে দাগ স্পর্শ করার আগে ডিরেক্ট হিটে স্টাম্প ভেঙে দেন রাদারফোর্ড। আটটি চার ও দুটি ছক্কায় ৭৩ বলে ৭৭ রান করে ফিরে যান টাইগার অধিনায়ক। ৩১তম ওভারে বলে এসে ২৯ বলে ১৫ রান করা আফিফকে ফেরান রাদারফোর্ড।
১৭১ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ ও জাকের। চার-ছক্কায় মাতিয়ে রাখেন। দুজনের ১১৭ বলে ১৫০ রানের অপ্রতিরোধ্য অবিচ্ছিন্ন জুটিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩২১ রান। মাহমুদউল্লাহ ও জাকেরের জুটি ষষ্ঠ উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি। এর আগে মাহমুদউল্লাহ ও ইমরুল কায়েসের ১২৮ রানের জুটি ছিল সর্বোচ্চ।
মাহমুদউল্লাহ ৬৩ বলে ৮৪ রানে অপরাজিত থাকেন। ছিল ৭টি চার ও ৪টি ছক্কার মার। চারটি ছক্কা হাঁকিয়ে তামিম ইকবালের রেকর্ড ভাঙলেন তিনি। গত ম্যাচে ৪ ছক্কা হাঁকিয়ে তামিম ইকবালের ১০৩ ছক্কায় ভাগ বসান। তাকে ছাড়িয়ে গেলেন, ১০৭টি ছক্কা এখন মাহমুদউল্লাহর, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ।
ক্যারিয়ারে প্রথম ফিফটি ছোঁয়া জাকের পাঁচটি চার ও দুই ছক্কায় ৫৭ বলে ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে আলঝারি জোসেফ ২টি উইকেট নেন। শেরফান রাদারফোর্ড ও গুডাকেশ মোতি নেন ১টি করে উইকেট।









