টেস্ট এবং টি-টুয়েন্টিতে ব্যর্থতার পর ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে অন্যরকম বাংলাদেশের দেখা মিলল। টস জিতে ফিল্ডিংয়ে নেমে উইন্ডিজকে তাদেরই মাঠে চেপে ধরেছেন টাইগার বোলাররা। মেহেদী হাসান মিরাজ ও শরিফুল ইসলামের তোপে ১৪৯ রানের বেশি করতে পারেনি স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
রোববার রাতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ১৫০ রানের লক্ষ্য দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। স্বাগতিকদের সর্বোচ্চ ৩৩ রান এসেছে ব্রুকসের ব্যাটে।
প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে আগে ফিল্ডিংয়ে নামা বাংলাদেশকে ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে প্রথম সাফল্য এনে দেন মোস্তাফিজুর রহমান। দুর্দান্ত ইনসুইংয়ে শাই হোপকে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরান বাঁহাতি পেসার।
প্রথম দশ ওভারে স্বাগতিকদের বেশ চাপে রাখেন অভিষিক্ত নাসুম আহমেদ। কোনো উইকেট না পেলেও নিজের প্রথম ৬ ওভারে মাত্র ৪ রান দেন বাঁহাতি স্পিনার। ১০ রানে কাইল মেয়ার্সকে বোল্ড করেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
২১তম ওভারে উইন্ডিজ ব্যাটিং লাইনকে তছনছ করেন শরিফুল ইসলাম। একই ওভারে দুই সেট ব্যাটারকে ফেরান বাঁহাতি পেসার। ওভারের চতুর্থ বলে গুডলেন্থ ডেলিভারিতে কিংকে সাজঘরে ফেরান ৮ রানে। পরের বলে ব্রুকস আউট হন নুরুল হাসান সোহানকে ক্যাচ দিয়ে।
নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পরে আর উইন্ডিজকে কোনো জুটিই গড়তে দেয়নি বাংলাদেশ। মিরাজের ঘূর্ণির সামনে পাত্তা পাননি রোভম্যান পাওয়েল ও নিকোলাস পুরান। ইনিংসের ২৬তম ওভারে পাওয়েলকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন ডানহাতি অফস্পিনার।
ক্যারিবীয়দের শেষ ভরসা পুরানকেও ফেরান মিরাজ। তার করা ড্রিফটার বলটা বুঝতেই পারেননি উইন্ডিজ কাপ্তান। ১৬ রান করে রোমারিও শেফার্ড আউট হন শরিফুলের বলে ক্যাচ দিয়ে।
শেষ উইকেটে অ্যান্ডারসন ফিলিপ ও জেইডেন সেলেস লড়াই করেছেন বেশ। তবে স্কোরটা ১৪৯ রানের বেশি নিয়ে যেতে পারেননি দুই টেল এন্ডার। ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন ফিলিপ, সিলস করেছেন ১৬ রান।
টাইগার হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়েছেন শরিফুল ইসলাম। ৩টি উইকেট পেয়েছেন মিরাজ। একটি উইকেট গেছে মোস্তাফিজের ঝুলিতে।








