ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুরের মন্থর উইকেটে উড়ন্ত শুরু পেয়েছিল বাংলাদেশ। সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকারের উদ্বোধনী জুটিতে ১৭৬ রান আসে। দুই ওপেনারের রেকর্ড গড়া জুটিতে সিরিজ জয়ের মিশনে ক্যারিবীয়দের ২৯৭ রানের লক্ষ্য দিতে পেরেছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।
শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আগে ব্যাটে নামে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ২৯৬ রান তোলে টিম টাইগার্স।
১৫২ বলে ১৭৬ রানের জুটি গড়েন সাইফ ও সৌম্য। মিরপুরের উইকেটে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটির সর্বোচ্চ সংগ্রহের রেকর্ড এটি। ২০১৪ সালের মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ইমরুল কায়েস ও এনামুল হক বিজয়ের করা ১৫০ রান ছিল এতদিনের সর্বোচ্চ।
সবমিলিয়ে টাইগারদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উদ্বোধনী জুটি এটি। শীর্ষে ২০২০ সালে সিলেটে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের ২৯২ রানের জুটি। মিরপুরে যেকোন উইকেটে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটিও এটি। এই মাঠে বাংলাদেশের ব্যাটারদের সর্বোচ্চ রানের জুটি ১৭৮। ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় উইকেটে ১৭৮ রানের জুটি গড়েছিলেন তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম।
সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকার পাওয়ার প্লেতে ৭৪ রান তোলেন। বাংলাদেশের শতরান পূর্ণ হয় ১৫.৩ ওভারে। ফিফটি করে সৌম্য ও সাইফ দুজনেই শতকের পথে ছুঁটছিলেন। ২৫.২ ওভারে ১৭৬ রানে রোস্টন চেজ জুটি ভাঙেন। সাইফ আউট হন ৬টি করে চার ও ছক্কায় ৭২ বলে ৮০ রান করেন।
২৮.১ ওভারে সৌম্যও ফিরে যান নার্ভাস নব্বইয়ে কাটা পড়ে। আকিল হোসেনের শিকার হন ৯১ রানে। টাইগার ওপেনারের ৮৬ বলের ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৪টি ছক্কার মার। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৫০ রান যোগ করেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহীদ হৃদয়। ৩৯.৫ ওভারে দলীয় ২৩১ রানে হৃদয় ফিরে গেলে জুটি ভাঙে। ৪৪ বলে ২৮ রান করেন তিনি।
২৫২ রানে শান্ত ফেরেন ৪৪ করে। ৫৫ বলের ইনিংসে ছিল ৩টি ছক্কার মার। এরপর ধস নামে বাংলাদেশের ইনিংসে। ৯ রান যোগ করতে আরও ৩ উইকেট যায়। মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন (৬), রিশাদ হোসেন (৩) ও নাসুম আহমেদ (১) ফিরে যান।
অষ্টম উইকেটে নুরুল হাসান সোহান ও মেহেদী হাসান মিরাজ ইনিংস শেষ করেন। জুটিতে যোগ করেন ৩৫ রান। শেষ বলে মিরাজ আউট হন ১৭ বলে ১৭ রান করে। সোহান অপরাজিত থাকেন ৮ বলে ১৬ রানে।
ক্যারিবীয় বোলারদের মধ্যে আকিল হোসেইন ৪ উইকেট নেন। আলিক আথানজে নেন ২ উইকেট। রোস্টন চেজ ও গুডাকেশ মোতি নেন ১টি করে উইকেট।









