ব্যাটারদের হতাশার পারফরম্যান্সে ১০৬ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ। হতাশা কাটিয়ে লড়াইয়ে ফেরার আশা জাগিয়েছিলেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। প্রথমদিনে একাই শিকার করেন ৫ উইকেট। দ্বিতীয় দিনে ধারাবাহিকতা থাকেনি। সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন কাইল ভেরেইন, ২০২ রানের বড় লিড নিয়ে থেমেছে সাউথ আফ্রিকা।
মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সোমবার টসে জিতে ব্যাটে নামার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। শুরু থেকে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। দুই সেশনও ব্যাট করতে পারেননি শান্ত-মুমিনুলরা। ৪১.১ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানে যেতে পারে টিম টাইগার্স। জবাবে ৮৮.৪ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ৩০৮ রানে থামে এইডেন মার্করামের দল।
মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনে বোলিংয়ে নেমে উইকেট তোলার আপ্রাণ চেষ্টা চালান তাইজুল, মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাইম হাসান। উইকেটের দেখা পেতে সময় লাগে। আগেরদিনে অপরাজিত দুই কাইল ভেরেইন্নে ও উইয়ান মুল্ডার সাবলীলভাবে ব্যাট করতে থাকেন।
১১৯ রানের জুটি গড়েন দুজনে। ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি তুলে নেন মুল্ডার। অন্যদিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১১৯ রানের জুটি সপ্তম উইকেটে প্রোটিয়াদের সর্বোচ্চ। আগে সর্বোচ্চ ৮০ রানের জুটিতেও ছিলেন মুল্ডার। ২০২২ সালে পোর্ট এলিজাবেথে কেশভ মহারাজকে নিয়ে ৮০ রানের জুটি গড়েছিলেন।
জুটি ভেঙে সাফল্য এনে দেন একাদশে থাকা একমাত্র পেসার হাসান মাহমুদ। পরপর দুই বলে মুল্ডার (৫৪) ও কেশভ মহারাজকে (০) সাজঘরে ফেরান তিনি। হ্যাটট্রিকের সুযোগ তৈরি করেন।
এরপর পিডেটকে সঙ্গে নিয়ে ৬৬ রানের জুটি গড়েন ভেরেইন্নে। ২৯৩ রানের সময় ৩২ করে পিডেট আউট হন। শেষ ব্যাটার হিসেবে ক্রিজে থাকা ভেরেইন্নে ১৪৪ বলে ১১৪ করে ফেরেন, উইকেট নেন মিরাজ।









