বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশ তিন ধাপ পিছিয়েছে।গত বছর ১৯ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৮১তম। তবে এ বছর ১২৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৪তম, স্কোর ১৯ দশমিক ৪।
ইউরোপীয় দেশগুলোর এনজিওর অর্থায়নে পরিচালিত গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স (জিএইচআই) প্রকাশিত এক সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবছর অক্টোবরের শুরুতে এই সূচক প্রকাশ করে সংস্থাটি।
গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স চারটি মাপকাঠির ওপর বিচার করে প্রতিবেদন তৈরি করে। সেগুলো হলো- অপুষ্টির হার, উচ্চতার তুলনায় কম ওজনের পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুর হার, পাঁচ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে কম উচ্চতার শিশুর হার, পাঁচ বছরের নিচে শিশুমৃত্যুর হার।
সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালে বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশের পয়েন্ট ১৯ দশমিক ৪। এই পয়েন্ট নির্দেশ করে, বাংলাদেশে এখনো ক্ষুধা আছে, তবে তা সহনীয়। এই সূচকের তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশের ১১ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ অপুষ্টির শিকার। যা ‘কম’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে সূচকে।
বৈশ্বিক ক্ষুধা পরিস্থিতি তুলে ধরে শুক্রবার প্রকাশিত সূচকে অবনমনের এই তথ্যের সঙ্গে উঠে এসেছে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিশেষ করে শিশুদের ক্ষুধায় ভোগার চিত্র, যা থেকে তাদের স্বাস্থ্যের অবস্থাও পাওয়া যায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের ২৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি অপুষ্টির কারণে থেমকে গেছে।
অবশ্য ‘মধ্যম’ মাত্রার ক্ষুধার দেশ হিসেবে শ্রেণিকৃত বাংলাদেশে ২০১৬ সালের চেয়ে ক্ষুধার মাত্রা কমেছে; সে বছর স্কোর ছিল ২৪ দশমিক ৭। ক্ষুধা সূচকে যে দেশের স্কোর যত কম, তাদের ক্ষুধার মাত্রা তত কম অর্থাৎ ক্ষুধামুক্ত বোঝায়।









