বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ খেলতে মাসে শেষে ঢাকা আসছে পাকিস্তান। মিরপুরে ২০ থেকে ২৪ জুলাই হবে ম্যাচগুলো। সিরিজে সালমান আলী আঘাকে অধিনায়ক করে দল দিয়েছে পিসিবি।
গতমাসে ঘরের মাঠে বাংলাদেশকে টি-টুয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করেছিল পাকিস্তান। সেই দলে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। বাদ শাদাব খান, হাসান আলি ও হারিস রউফ। বাংলাদেশে আসছেন না বাবার আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং শাহীন শাহ আফ্রিদিও। গত সিরিজে থাকা ইরফান খান, মোহাম্মদ ওয়াসিম, নাসিম শাহকেও রাখা হয়নি।
শাদাব সম্প্রতি কাঁধে অস্ত্রোপচারের পর বিশ্রামে আছেন। হারিস হ্যামস্ট্রিং চোটে যুক্তরাষ্ট্রে চলতি মেজর লিগ ক্রিকেট থেকেও ছিটকে গেছেন।
বাংলাদেশ সফরে সুযোগ দেয়াদের অধিকাংশের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কম। মিডিয়াম পেসার আহমেদ দানিয়াল ও বাঁহাতি পেসার সালমান মির্জার আন্তর্জাতিক অভিষেকই হয়নি। বাঁহাতি স্পিনার সুফিয়ান মুকিম খেলেছেন মাত্র ১০টি টি-টুয়েন্টি। ওপেনার হাসান নওয়াজের আন্তর্জাতিক অভিষেক এবছর, খেলেছেন ৮ টি-টুয়েন্টি। তুলনামূলকভাবে অভিজ্ঞ আব্বাস আফ্রিদি খেলেছেন ২১টি টি-টুয়েন্টি।
টি-টুয়েন্টিতে অবশ্য তাদের পারফরম্যান্স নজরকাড়া। পিএসএল ২০২৫এ তারা ছিলেন সফল। করাচি কিংসের হয়ে আব্বাস আফ্রিদি ১১ ইনিংসে ১৭ উইকেট নিয়ে চতুর্থ সর্বোচ্চ শিকারি ছিলেন। কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের হাসান নওয়াজ ১০ ইনিংসে ৩৯৯ রানে আসরে তৃতীয় অবস্থানে ছিলেন। লাহোর কালান্দার্সের হয়ে সালমান মির্জা ৪ ম্যাচে ৯ উইকেট নেন।
পাকিস্তান টি-টুয়েন্টি দল: আঘা সালমান (অধিনায়ক), আরবার আহমেদ, আহমেদ দানিয়াল, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, হাসান নওয়াজ, হুসেইন তালাত, খুশদিল শাহ, আব্বাস আফ্রিদি, মোহাম্মদ হারিস (উইকেটকিপার), মোহাম্মদ নেওয়াজ, সাহিবজাদা ফারহান (উইকেটকিপার), সাইম আইয়ুব, সালমান মির্জা, সুফিয়ান মুকিম।









