আন্তর্জাতিক কাবাডি ফেডারেশনের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশে হতে যাচ্ছে মেয়েদের কাবাডি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আসর। এ বিশ্বকাপ আয়োজনে প্রস্তুত বাংলাদেশ। শনিবার দুপুরে জাতীয় কাবাডি স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নেওয়াজ সোহাগ।
২০১২ সালে ভারতে হয়েছিল কাবাডি বিশ্বকাপের প্রথম আসর। এক যুগের বেশি সময় পর দ্বিতীয় আসর ১৪ দল নিয়ে হবে ঘোষণা দিয়েছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক। শেষপর্যন্ত ১১ দল আসরে অংশগ্রহণ করবে। আর্জেন্টিনা শেষ মুহুর্তে খেলতে আসবে না বলে আন্তর্জাতিক কাবাডি ফেডারেশনকে জানিয়েছে। স্ট্যান্ডবাই থেকে পাকিস্তান আসেনি, এসেছে পোল্যান্ড।
বিশ্বকাপের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে মিরপুরে, শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে। এবারের আসরে অংশ নেয়া ১১ দেশগুলো হল- বাংলাদেশ, ভারত, চাইনিজ তাইপে, জার্মানি, ইরান, কেনিয়া, নেপাল, পোল্যান্ড, থাইল্যান্ড, উগান্ডা ও জাঞ্জিবার।
বিশ্বকাপ সফল করতে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা, আবাসন, যাতায়াত ও ভেন্যু ব্যবস্থাপনাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রস্তুত। বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন সংশ্লিষ্টরা বিশ্বাস করেন, এই আয়োজন নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। রোববার প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় বিশ্বকাপ ট্রফি উন্মোচন হবে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর অধিনায়কের উপস্থিতিতে ট্রফি উন্মোচন হবে।
খেলা পরিচালনার জন্য প্রতিটি দেশ থেকে রেফারি আনা হয়েছে। ভারত থেকে পাঁচজন রেফারি এসেছেন। বাংলাদেশের ১০-১২ জনের একটি টেকনিক্যাল কমিটি থাকবে যেন রেফারিংয়ের মান আরও উন্নত হয় এবং কোনো প্রশ্ন না ওঠে।
বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ নারী জাতীয় কাবাডি দল:
শ্রাবনী মল্লিক, বৃষ্টি বিশ্বাস, রূপালি আক্তার সিনিয়র (অধিনায়ক), স্মৃতি আক্তার, রেখা আক্তারী, মেবি চাকমা, রূপালি আক্তার, আঞ্জুয়ারা রাত্রি, সুচরিতা চাকমা, খাদিজা খাতুন, লোবা আক্তার, ইয়াসমিন খানম, ইসরাত জাহান সাদিকা এবং তাহরিম।









