চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • স্বাস্থ্য
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
    [vc_row][vc_column][vc_video link="https://www.youtube.com/live/GvSQMcp7GDo?si=AFUi4hYFRyndxJNP" css=""][/vc_column][/vc_row]
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

ওষুধের সবচেয়ে বড় রফতানিকারক দেশ এখন বাংলাদেশ

ড. সীতেশ চন্দ্র বাছারড. সীতেশ চন্দ্র বাছার
3:13 অপরাহ্ন 08, অক্টোবর 2023
মতামত
A A
Advertisements

৫০- এর দশকে বাংলাদেশে শুরু হয় ওষুধ শিল্পের যাত্রা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেশ বিস্তৃত হয়েছে এ শিল্প। বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ২৯৫টি অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রায় ৪৬ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকার ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানগুলো।

এছাড়াও ২০৫টি আয়ুর্বেদিক, ২৮৪টি ইউনানি, ৭১টি হোমিওপ্যাথিক ও ৩১টি হার্বাল ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার ওষুধ উৎপাদন করছে। ওষুধের স্থানীয় চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশই এখন তৈরি হচ্ছে দেশে। বলা চলে, ওষুধে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ। বৈশ্বিক বাজারেও অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে এ দেশীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো।

শুধু স্বল্পোন্নত দেশগুলেতেই নয়, বিশ্বের অন্তত ১৫৭টি দেশে ওষুধের সবচেয়ে বড় রফতানিকারক দেশ এখন বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও নীতির ফলে ওষুধ রফতানি ও দেশীয় বাজারের আকার প্রতিনিয়তই বড় হচ্ছে। দেশের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্তত ৫০টি বড় অংকের রফতানি কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত।

এশিয়ার ৪৩টি, দক্ষিণ আমেরিকার ২৬টি, উত্তর আমেরিকার ছয়টি, আফ্রিকার ৩৯টি, ইউরোপের ৩৮টি ও অস্ট্রেলিয়ার তিনটি দেশে রফতানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ। প্রতি বছরই বিশ্ববাজারে রফতানির এ আকার বড় হচ্ছে। ওষুধ শিল্পের এ প্রবৃদ্ধি এবং দেশীয় ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা স্থানীয় ওষুধের বাজারকেও করেছে সমৃদ্ধ।

একটু পিছনের দিকে যাই। আজকের বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের যে বলিষ্ঠ অবস্থান, এর পেছনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর অবদান বিশাল। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে দেশের ওষুধ সেক্টরের পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত নাজুক। দেশের চাহিদার ৮০% এরও বেশি ওষুধ আমদানি করতে হতো। সামান্য যে ওষুধ উৎপাদন হতো তারও সিংহভাগ ছিল বিদেশী কোম্পানিগুলোর উৎপাদিত। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু দেশের কয়েকজন প্রখ্যাত চিকিৎসককে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেন।

এই কমিটিকে ক্ষমতা দেয়া হয় ওষুধ ও ওষুধ শিল্পেরে নীতিমালা প্রণয়ন ও বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ওষুধ বাছাই, মান যাচাই, পরিমাণ ও মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে আমদানি নিয়ন্ত্রণের। এর মাধ্যমে অনেক ওষুধের আমদানি নিষিদ্ধ এবং অনেকগুলোর আমদানি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। বাস্তব অর্থে এটিই ছিল বাংলাদেশের প্রথম একটি ‘ছায়া ওষুধনীতি’ যা তখনকার সময়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জনস্বাস্থ্য রক্ষার স্বার্থে বঙ্গবন্ধু বিভিন্ন বিদেশী কোম্পানির পেটেন্টকৃত ওষুধও দেশীয় কোম্পানি কর্তৃক উৎপাদনের জন্য গরিব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে পেটেন্ট আইনের বাইরে রাখেন। ফলে দেশীয় কোম্পানিগুলো বিপুল প্রনোদনা লাভ করে এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজারের কারণে জীবন রক্ষাকারী ওষুধগুলোর দাম কমে আসার পাশাপাশি এগুলো সহজলভ্য হয় এবং দেশের অর্থনীতিতেও তা অবদান রাখতে শুরু করে।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৪ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠন করা হয় ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর। ১৯৮২ সালে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রণয়ন করা হয় ড্রাগ (কন্ট্রোল) অর্ডিন্যান্স বা ওষুধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ।

১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় হিসেবে তালিকাভুক্ত করে বাধ্যতামূলক করা হয় দেশীয় কোম্পানিগুলোর মোট উৎপাদনের ৬০ শতাংশ এসব ওষুধ উৎপাদনকে, যা দেশী ওষুধ শিল্পের বিকাশে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়। এবং যেসব ওষুধ দেশী কোম্পানিগুলো তৈরি করতে পারে, সেগুলো আমদানি করা যাবে না। আর এসব পদক্ষেপই পর্যায়ক্রমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয় বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প।

সরকারের এ নীতির ফলে বিদেশী ওষুধ কোম্পানিগুলোর একচেটিয়া বাণিজ্য থেকে দেশীয় ওষুধ শিল্প মুক্তি পায় এবং ধীরে ধীরে বাজার সম্প্রসারণ শুরু করে। ১৯৮৫ সাল থেকে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ওষুধ রফতানি শুরু করে বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিগুলো।

ঔষধ পরিদপ্তরকে অধিদপ্তরে উন্নীত করা হয় ২০১০ সালে। ১৯৮২ সালের অর্ডিন্যান্স ও জাতীয় ওষুধনীতি ও ২০১৬ সালের জাতীয় ওষুধনীতি পর্যালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর বলীষ্ঠ নির্দেষনায় সর্বশেষ ২০২৩ সালে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘ড্রাগ ও কসমেটিক এ্যাক্ট ২০২৩’। যা এতোমধ্যে জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে। এ অধিদপ্তর বর্তমানে দেশের ওষুধ নিয়ন্ত্রণের একমাত্র লাইসেন্সিং ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তার সরকার আগেরবারেও ওষুধখাতে বলিষ্ঠ অবদান রেখেছিলেন। এবারও তার ‘রূপকল্প ২০২১’ এবং ‘রূপকল্প ২০৪১’ বাস্তবায়নে ওষুধখাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে চলেছে।

এপিআই পার্কে উৎপাদিত কাঁচামাল রফতানিতে সরকার ২০% ক্যাশ ইনসেনটিভ বা প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন। ফলে প্রথমবারের মতো ওষুধের দেশজ উৎপাদন দেশের বার্ষিক অভ্যন্তরীণ চাহিদার ৯৫% পূরণ করতে পেরেছে। আর রফতানিকে নানাভাবে উৎসাহ দেয়াতে বাংলাদেশ থেকে রফতানি হচ্ছে কোটি কোটি টাকার ওষুধ। অতীতের কোন সরকার এই সাফল্য দেখাতে পারেনি।

আমাদের দেশের অনেক ওষুধ কোম্পানি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল ইত্যাদি দেশগুলোর কাছ থেকে আন্তর্জাতিক মানবিষয়ক সনদ অর্জন করেছে। ফলে সেসব কোম্পানির ওষুধ বিদেশে রফতানিতে সুবিধা হয়েছে।

বর্তমানে সরকার ওষুধখাতের উন্নয়নে অনেক ইতিবাচক অবদান রেখে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘ওষুধবর্ষ ২০১৮’ এবং ওষুধ শিল্পের উৎপাদিত পণ্যকে বিশ্ব বাজারে মর্যাদার আসনে প্রতষ্ঠিত করার লক্ষ্যে কাঁচামালসহ ওষুধকে ২০১৮ সালের জন্য ‘প্রোডাক্ট অফ দি ইয়ার’ ঘোষণা করেছিলেন। ফলশ্রুতিতে আরও প্রেরণা পায়, উদ্দীপিত হয় বাংলাদেশের উদীয়মান ফার্সাসিউটিক্যালস্ ইন্ডাস্ট্রি।

ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে ওষুধের রফতানি। তবে সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক প্রভাব পড়ে করোনা মহামারীতে। এ সময় করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ রেমিডেসিভির ও ফ্যাভিপিরাভির রফতানি বেড়ে যায়।

বিভিন্ন দেশের সরকারও বাংলাদেশে ওষুধের চাহিদা পাঠায়। এ সময় এককভাবে রেমিডেসিভির ওষুধ রফতানি হয়েছে অনেক বেশি। এরপর জরুরি প্রয়োজনে বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুত ও রফতানিতে অনুমোদন দেয় ডিজিডিএ। মানসম্পন্ন ও দামে কম হওয়ার পাশাপাশি দ্রুত ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাতে বিশ্বজুড়ে এখন বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যালস্ এর বেশ সুনাম।

বাংলাদেশে ওষুধ শিল্প এখন একটি উচ্চ প্রবৃদ্ধির শিল্প। আমার বিশ্বাস তৈরি পোশাক শিল্পের মতো এই শিল্প অচিরেই আমাদের জন্য, দেশের জন্য প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ও বিরল সম্মান বয়ে আনবে।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

ট্যাগ: ওষুধ শিল্পবাংলাদেশরফতানিকারক দেশ
শেয়ারTweetPin
পূর্ববর্তী

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন চায় জাপান

পরবর্তী

আদালত থেকে পলাতক জঙ্গির একজন অল্পের জন্য হাতছাড়া: সিটিটিসি

পরবর্তী

আদালত থেকে পলাতক জঙ্গির একজন অল্পের জন্য হাতছাড়া: সিটিটিসি

সালমানের সঙ্গে কে! কিসের ইঙ্গিত দিলেন অভিনেতা?

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

প্রায় দুই দশক পর আজ সিরাজগঞ্জে যাচ্ছেন তারেক রহমান

জানুয়ারি 31, 2026

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ২ দিনে কমেছে প্রায় ৮০ হাজার টাকা

জানুয়ারি 31, 2026
ছবি: সংগৃহীত

সন্ধ্যা থেকে ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা, শুষ্ক থাকতে পারে আবহাওয়া

জানুয়ারি 31, 2026

যুক্তরাষ্ট্রে ধেয়ে আসছে ‘বোম্ব সাইক্লোন’

জানুয়ারি 31, 2026

জাতীয় পুরস্কারে নিজের নাম দেখে বিব্রত ‘রক্তজবা’ নির্মাতা

জানুয়ারি 30, 2026
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT

Exit mobile version