আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ। ৩০১ রানের লিড নিয়ে আইরিশদের দ্বিতীয় ইংনিসে পাঠিয়ে তৃতীয় দিনেই ৫ উইকেট তুলে নিয়েছেন হাসান মুরাদ-নাহিদ ইসলামরা। এখনও ২১৫ রানে পিছিয়ে সফরকারীরা। তার আগে বাকি ৫ উইকেট নিতে পারলে ইনিংস ব্যবধানে জয়ের হাতছানি নাজমুল হোসেন শান্তদের সামনে। ম্যাচ থেকে প্রায় ছিটকে গিয়ে মিরপুরে ঘুরে দাঁড়াতে চায় আয়ারল্যান্ড।
আগামী ১৯ নভেম্বর মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গড়াবে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ। সেই ম্যাচে মিরপুরের স্পিন উইকেটের সুবিধা নিতে চায় সফরকারীরা। বৃহস্পতিবার সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন আয়ারল্যান্ড স্পিনার ম্যাথিউ হামফ্রেয়াস।
বলেছেন, ‘এখান থেকে তো আত্মবিশ্বাস নিবোই। কিছু ভালো মুহূর্ত ছিল। আমাদের স্পিন ইউনিট ঢাকায় খেলতে মুখিয়ে আছে। এখান থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতেও পারি যা সামনে কাজে লাগাতে পারবো বলে আশা করছি।’
আয়ারল্যান্ড সিলেটে একটি কঠিন দিন পার করেছে জানিয়ে হামফ্রেয়াস বলেছেন, ‘হ্যাঁ, কঠিন দিন ছিল। আমাদের মাইন্ডসেট একদম পরিষ্কার ছিল। ব্যাটিংটা আসলে ভালো হয়নি। আমরা মনে হয় চিন্তা করিনি যে আরও দুই দিন বাকি আছে। দেখা যাক কালকে কী হয়।’
‘এমন দিনে আসলে নিজেকে আপনি বিশ্বাস করাতে চাইবেন যে, আপনি কী করতে পারে)। এখানে স্পিনারদের জন্য কিছু সুবিধা ছিল। চেষ্টা করেছি সহজ ব্যাপারগুলো বেশি সময় ধরে করে যেতে। দ্রুত আরও উইকেট নিতে পারলে হয়তো আমাদের জন্য ভালো হত। এই সারফেস ভালো, উইকেট নিতে চাইলে নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে, এখানেই আমরা সংগ্রাম করেছি।’
বাংলাদেশকে কৃতিত্ব দিয়েছেন আইরিশ স্পিনার। বলেছেন, ‘বাংলাদেশকে কৃতিত্ব দিতে হবে, তাদের খেলার জন্য। তারা আসলে আমাদের বেশি সুযোগ দেয়নি। যে কারণে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারিনি। শান্ত এবং (লিটন) দাস এসে উল্টো আমাদের আরো চাপে ফেলে দিয়েছে। কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলে দিয়েছে।’
‘যখন (দিনের) শুরুতে ২ উইকেট নিয়ে ফেললাম, নতুন ২ জন ব্যাটার ক্রিজে চলে আসলো। আমরা চেয়েছিলাম দ্রুত বাংলাদেশকে থামাতে। হয়তো ১৫০ রানের আশেপাশের লিডে থামানোর সুযোগ ছিল। তবে এই দুজন সেটা হতে দেয়নি। এখন ৩০০-এর বেশি রানের লিড নিয়ে ফেলেছে।’
শান্তর ব্যাটিং নিয়ে বলেছেন, ‘হ্যাঁ, সে (শান্ত) অনেক ভালো করেছে। সে টপ ক্লাস প্লেয়ার। আমরা এটা জানতাম। সে শুরুটাও ভালো করেছে। নতুন বলটা সামলে নিয়েছে। শুরুতে আমরা ২ উইকেট নিলে চাপ দিয়েছিলাম। পরে দারুণ সব শট খেলে আমাদের আবার চাপে ফেলে দিয়েছে।’
তাইজুলের প্রশংসা করে বলেছেন, ‘সে এই কন্ডিশনে অন্যতম সেরা। তার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। স্পিনাররা অ্যাঙ্গেলটা ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারে। আমরা চেষ্টা করছি এসব শেখার। তবে এমন কন্ডিশনে অনেক সময় কাজটা কঠিন হয়ে যেতে পারে আমাদের জন্য।’









