শেষ কয়েকটি সিরিজে ফর্মে নেই জাকের আলি অনিক, রান করতে পারছেন না নুরুল হাসান সোহানও। ব্যাট না হাসায় আয়ারল্যান্ড সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের দল থেকে বাদ পড়েছিলেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী। ছয় কিংবা সাত নম্বরে খেলা ক্রিকেটাররা ছন্দে না থাকলেও উদ্বিগ্ন নন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। তার চাওয়া, বিশ্বকাপে ভালো রান করলেই হবে।
মঙ্গলবার চট্টগ্রামে সিরিজের শেষ টি-টুয়েন্টিতে আয়ারল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। পরে সংবাদ সম্মেলনে এসে বলেছেন এমন।
‘না, আমি খুব একটা উদ্বিগ্ন না ওই জায়গাটা নিয়ে। আমিও বলেছি প্রত্যেকটা সিরিজ প্রত্যেকটা খেলোয়াড় ভালো খেলবে না। হৃদয় অনেক দিন ধরে স্ট্রাগল করছিল বড় রানের জন্য। কিন্তু এই সিরিজে সে বড় রান পেয়েছে। তার মানে প্রত্যেকটা খেলোয়াড় সামর্থ্যবান বড় রান করার জন্য। তাদেরকে একটু সময় দিতে হবে। আমি আশা করি তারা বিপিএল খেলবে সবাই এবং বিপিএলে ভালো করবে। জাতীয় দলে আমার আসল দরকার বিশ্বকাপে। যদি বিশ্বকাপে ভালো করে তাহলেই হবে, আমার আর কিছু লাগবে না।’
আয়ারল্যান্ড সিরিজে অপরাজিত ৮৩ রানের ইনিংসের আগে ব্যাট হাতে ভুগছিলেন তাওহীদ হৃদয়। বিশ্বকাপে গিয়েও যদি ছন্দ হারান, তাহলে হৃদয়ের বিকল্প ভাববেন কিনা লিটন- এমন প্রশ্নও এসেছিল সংবাদ সম্মেলনে। অবশ্য লিটন জানালেন, দ্বিতীয় কোনো বিকল্প চিন্তা করেননি তিনি।
বলেছেন, ‘আমি কিন্তু প্রেস কনফারেন্সে বলেছি হৃদয় বড় ম্যাচের খেলোয়াড়। সে ওই জায়গায় সামর্থ্যবান দেখেই ওইখানে আছে। আমার কাছে এটা নিয়ে কখনোই দ্বিতীয় কোন চিন্তা আসে নাই যে ওইখানে কাউরে চেষ্টা করে দেখার জন্য। আমার কাছে মনে হয় যেসব খেলোয়াড় এখানে আছে তাদের সামর্থ্য আছে। বিশ্বকাপে খেলে ফেললেই হবে, আর কিছু লাগবে না।’
প্রথমবারের মতো টি-টুয়েন্টি দলে জায়গা পেলেও অভিষেক হয়নি মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের। ডানহাতি ব্যাটারকে দুর্ভাগা বলছেন লিটন। বলেছেন, ‘আমি বলবো সে (অঙ্কন) দুর্ভাগা। যেহেতু তিনটা ম্যাচই আমরা খেলেছি। ওই জায়গায়, ওই পজিশনে আমরা তিনজনকেই ঘুরিয়ে খেলার চেষ্টা করেছি। আরও ম্যাচ বেশি থাকলে হয়তোবা তাকেও চেষ্টা করতাম। সুতরাং ওইদিক দিয়ে সে অনেক দুর্ভাগা।’









