বৃষ্টি থামার পর বোলিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল দুর্দান্ত। হাসান মাহমুদের পেস তোপে রীতিমতো কাঁপছিল আয়ারল্যান্ড। দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন দ্রুতই। ১৬ রানে ২ উইকেট হারানো দল অবশ্য ৪৫ ওভারের ম্যাচে ছাড়িয়ে গেছে তিনশ। হ্যারি টেক্টরের ১৪০ রানের ইনিংস আর জর্জ ডকরেলের ৭৪ রানের ক্যামিও স্বাগতিকদের নিয়ে গেছে রানের চূড়ায়।
চেমসফোর্ডে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৪৫ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩১৯ রান তুলেছে আয়ারল্যান্ড। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বিপক্ষে এটিই সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ আইরিশদের।
বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু হয় নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে। ওয়ানডেতে চতুর্থ সেঞ্চুরি পান টেক্টর। ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসটি খেলে মাত্র ১১৩ বলে। মারেন দশটি ছয়, ৭টি চার।
ডকরেল ৪৭ বলে ৭৪ রানে অপরাজিত থাকেন। মার্ক অ্যাডায়ার ৮ বলে ২০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলের সংগ্রহ আরও বড় করেন। শেষ ৯.১ ওভারে ১১৯ রান তোলে আয়ারল্যান্ড।
আয়ারল্যান্ডের দুই ওপেনার পল স্টার্লিং ও স্টিফেন ডোহেনিকে দ্রুত সাজঘরে ফিরিয়ে টাইগারদের দারুণ সূচনা এনে দিয়েছিলেন হাসান মাহমুদ। তবে হ্যারি টেক্টর এবং অ্যান্ড্রু ম্যাকবির্নের কার্যকরী জুটিতে আইরিশরা ঘুরে দাঁড়ায়। তৃতীয় উইকেটে এ দুই ব্যাটার ৯৮ রান যোগ করেন। ম্যাকবির্নের উইকেট তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন শরিফুল ইসলাম। এরপর তিনি টাকারকেও সাজঘরে ফেরান।
৫৭ বলে ৫ চারের মারে ৪২ রানের ইনিংস খেলেন ম্যাকবির্নে। আইরিশ অধিনায়ক শরিফুলের অফ স্টাম্পের করা বাইরের বলে ড্রাইভ করতে যান। বল তার ব্যাটের কানায় লেগে মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসবন্দি হয়। এরপর ১১ বলে ৩ চারে ১৬ রান করা টাকার ডিপ স্কয়ার লেগে লিটন দাসের হাতে ধরা পড়েন।
১৪তম ওভারের শেষ বলে ইবাদত হোসেনের শর্ট ডেলিভারিতে পুল শট খেলেন হ্যারি টেক্টর। বল ব্যাটের কানায় লেগে উপরে উঠে যায়। অনেকখানি দৌড়ে গিয়ে মিডউইকেটে পৌঁছান শরিফুল ইসলাম। লাফিয়ে বল হাতে লাগাতে পারলেও শরিফুল তা ধরতে পারেননি। ব্যক্তিগত ২৩ রানে টেক্টর জীবন পান। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাকবির্নের সঙ্গে গড়েন বড় জুটি, পেয়ে যান ফিফটি।
ষষ্ঠ উইকেট জুটি বাংলাদেশকে ভোগায় ১১.২ ওভারে ১১৫ রান যোগ করেন টেক্টর ও ডকরেল। তাতেই বিশাল সংগ্রহ পায় আয়ারল্যান্ড।








