এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে হংকং চায়নার বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচটি ছিল বাঁচা-মরার লড়াই। ম্যাচে হামজা চৌধুরীর গোলে এগিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে রক্ষণভাগের বেশ কয়েকটি ভুলে শেষ পর্যন্ত ৪-৩ গোলে হেরেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। এ ম্যাচে বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হয়েছে জায়ান আহমেদের।
ম্যাচের শুরু থেকে হংকং চায়নাকে চেপে ধরে বাংলাদেশ। ১৩ মিনিটে সেই কাঙ্খিত মুহূর্ত, ডি বক্সের বাইরে থেকে বুলেটগতির এক ফ্রি কিকে গোল করেন হামজা দেওয়ান চৌধুরী। হংকং চায়নার গোলরক্ষক ইয়াপ হাং ফাই বুঝতেই পারেননি বল। বাঁচা-মরার লড়াইয়ে শুরুতেই ১-০ গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।
হামজার গোলের পর পাসিং ফুটবল খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। ২৬ মিনিটের সময় ফরোয়ার্ড রাকিব আহমেদের গোলমুখে একটি দুর্দান্ত ক্রস হেড করতে যান ফাহিম, তবে সেটি ফাউল ধরেন রেফারি। ভালো একটি সুযোগ হাতছাড়া হয় বাংলাদেশের। পরে রাকিবের আরও একটি ক্রস ঠেকিয়ে দেন হংকং গোলরক্ষক।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে কিছুটা গতি হারায় বাংলাদেশ। এ সময় ফরোয়ার্ড এভারটন ক্যামারগোর শটে অল্পের জন্য বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৪২ মিনিটে নিকোলাস মেদেইরোর পাস থেকে বল পেয়ে জালে পাঠান ক্যামারগো। তবে অফসাইডে ফাঁদে পড়ায় গোল পায়নি হংকং। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি, ৪৯ মিনিটে সেই ক্যামারগোর গোলে ১-১ সমতায় বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
বিরতির পর খেলা ঠিকঠাক শুরু হয়েছিল। তবে সোহেল রানার ভুল পাসে গোল করে বসেন বদলি নামা রাফায়েল মেরিকেস, ২-১ গোলে এগিয়ে যায় হংকং চায়না। এরপর আরও কিছু সুযোগ পেলেও গোল হয়নি, বাংলাদেশের ভালো সুযোগটি বারের বাইরে দিয়ে মারেন মোরসালিন।
৭৪ মিনিটের সময় মাঝমাঠে আঘাত পান শাকিল আহাদ তপু। বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা ফাউলের আবেদন করলেও রেফারি ম্যাচ থামাননি। রাইট উইং থেকে ওই বল বানিয়ে দেন ক্যামারগো, গোল করেন মার্কোয়েস। ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় হংকং।
তবে ৮৪ মিনিটে দেখা যায় আশার আলো। ডি বক্সের বেশ কিছুটা বাইরে থেকে ফ্রি কিক নেন জামাল ভূঁইয়া। সেখান থেকে গোলকিপারের হাত গলে বল বেরিয়ে আসলে গোল করেন শেখ মোরসালিন, ম্যাচের ফলাফল দাঁড়ায় ৩-২।
যোগ করা সময়ে ভালো একটি সুযোগ নষ্ট করেন তপু বর্মণ। পরে কর্নার থেকে হেডে গোল করেন সামিত সোম। এটি তার ক্যারিয়ারের প্রথম গোল। তবে শেষ মিনিটে রাফায়েল মারকোসের গোলে শেষ মুহুর্তে ৪-৩ গোলে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে।









