ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চায়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করেছে।
মঙ্গলবার ২৩ ডিসেম্বর বিকেলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্য দিয়ে গত ১০ দিনের মধ্যে চার দফায় বাংলাদেশ ও ভারত একে অপরের কূটনীতিককে তলব করে বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ ও উদ্বেগ জানাল।
এদিন টানা চতুর্থ দিনের মতো দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা চলমান থাকে। দিনের শুরুতে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে বাংলাদেশ। ওই বৈঠকে ২০ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও হাইকমিশনারের বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভ ও হুমকি দেওয়ার ঘটনা এবং ২২ ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে বাংলাদেশ ভিসা আবেদন কেন্দ্রে কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের ভাঙচুরের ঘটনায় ভারতের কাছে গভীর উদ্বেগ জানানো হয়।
এর প্রতিক্রিয়ায় বিকেলে দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বি শ্যাম বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ কয়েকটি বিষয়ে অযৌক্তিক ও অপ্রাসঙ্গিক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।
জবাবে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ ভারতের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, বাংলাদেশ বিভিন্ন ইস্যুতে বাস্তব পরিস্থিতির নিরিখেই তার অবস্থান তুলে ধরছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাইয়ে গণ–অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে গত ১৬ মাসে এই প্রথমবার একই দিনে সকালে এক দেশের দূতকে তলবের জবাবে বিকেলে অপর দেশের দূতকে তলব করার ঘটনা ঘটল, যা কূটনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।









