দেশের শিল্পখাতে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে একযোগে কাজ করবে বাংলাদেশ সরকার ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।
সম্প্রতি ইন্ডাস্ট্রিয়াল কম্পিটিটিভনেস এনহান্সমেন্ট প্রজেক্টের (আইসিইপি) চুক্তি (রেকর্ড অব ডিসকাশন) স্বাক্ষর করা হয়।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আনোয়ারুল আলম, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব একেএম শাহাবুদ্দিন এবং জাইকা বাংলাদেশের সিনিয়র রিপ্রেজেন্টেটিভ ইয়োশিদা হিরোশি উক্ত চুক্তিটি নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন।
এই প্রকল্পের লক্ষ্য বাংলাদেশের উৎপাদন খাতের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাসহ সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং একইসাথে, স্থানীয় শিল্পখাত ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যবসায়িক বন্ধন সুদৃঢ় করা। এই প্রকল্পে নির্ধারিত নীতিগুলোর ক্ষেত্রে একটি বিস্তারিত ও সময়ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে। পাশাপাশি, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবার মান উন্নত করা এবং ‘কাইজেন’ প্রশিক্ষণ কোর্স ও ডিজিটালাইজেশনের ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করা হবে। একইসাথে, প্রকল্পে ম্যাচিং ফাংশনের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেয়া হবে। এই সবকিছুই নীতি বাস্তবায়ন, মানব সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবসায়িক বন্ধন দৃঢ় করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শিল্পখাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
চার বছর মেয়াদী এই প্রকল্পের মাধ্যমে জাইকা মোটরসাইকেল খাত নীতিমালা, হালকা প্রকৌশল শিল্প ও প্লাস্টিক শিল্প সহ আরও নানান খাতে বহুমুখী দক্ষতা সম্পন্ন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞের ব্যবস্থা করবে। তারা বিশেষায়িত জ্ঞান প্রদান ও প্রকল্পের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সহায়তা করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করবেন।
এই প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক), ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও), ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন (এসএমই ফাউন্ডেশন), বাংলাদেশ প্লাস্টিক গুডস ম্যানুফ্যাকচারার অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিইআইওএ) মতো অংশীদারদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে শিল্প মন্ত্রণালয়।







