টপঅর্ডারদের ব্যর্থতার পর টেনে তুলেছিলেন সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। শতরানের জুটি গড়ে সাকিব ফেরার পর টিকতে পারেননি কেউই। শেষে ৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৮.৪ ওভারে ১৯৩ রানে থেমেছে টিম টাইগার্স।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে আগে ব্যাটে নামে বাংলাদেশ। শুরুতেই চাপে পড়ে। পরে সাকিব-মুশফিক লড়াইয়ে ফেরান। সাকিব ফেরার পর দ্রুত ফিরে যান শামীম পাটোয়ারী। পরে ১৯০ থেকে ১৯৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে গুটিয়ে যায় টাইগারদের ইনিংস।
শুরুতে ১০ ওভারের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। একে একে সাজঘরে ফিরে যান মেহেদী হাসান মিরাজ (০), লিটন দাস (১৬), নাঈম শেখ (২০), তাওহিদ হৃদয় (২)।
আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা মিরাজ মুখোমুখি প্রথম বলে আউট হন। শুরুর ধাক্কা সামলে ওঠার ইঙ্গিত ছিল লিটন দাসের ব্যাটে। নাসিম শাহকে তিন বাউন্ডারি মেরে বাংলাদেশের দর্শকের উচ্ছ্বাসে ভাসান এশিয়া কাপে নিজের প্রথম ম্যাচে।
শুরুতে মিরাজের উইকেট হারানোর ক্ষতিও পোষাতে থাকেন। বাড়তে থাকে রানরেট। শাহীন শাহ আফ্রিদির করা অফস্টাম্পের বাইরের একটি বল সুইং করে আরও বেরিয়ে যাওয়ার মুখে খোঁচা মেরে লিটন আউট হন কিপারের হাতে ক্যাচে।
ইনিংসের অষ্টম ওভার ও নিজের প্রথম ওভারে সফলতা পান হারিস রউফ। তুলে নেন নাঈমের উইকেট। বাঁহাতি ওপেনার ২৫ বলে চারটি চারে করেন ২০ রান। পরের ওভারের প্রথম বলে পান আরেকটি সফলতা। বোল্ড করেন তাওহিদ হৃদয়কে। ৪৭ রানে ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
২৮তম ওভারের প্রথম বলে সিঙ্গেল নিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৫৪তম ফিফটির দেখা পান সাকিব। ২৯তম ওভারের শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়ে মুশফিকের সঙ্গে শতরানের জুটি পূর্ণ করেন। একদিনের ক্রিকেটে সাকিব-মুশফিকের সপ্তমবারের মতো শতরানের জুটি এটি।
পরের ওভারে বলে আসেন ফাহিম আশরাফ। শর্ট লেন্থের বলে ডিপ স্কয়ার লেগের উপর দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ধরা পড়েন ফখর জামানের হাতে। ভেঙে যায় ১২০ বলে ১০০ রানে সাকিব-মুশির জুটি। ৫৭ বলে সাত চারের মারে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে ফেরেন সাকিব।
সাকিব ফেরার দুই বল পর ক্যারিয়ারের ৪৬তম ফিফটির দেখা পান মুশফিক। ৭১ বলে চারটি চারের মারে ফিফটি পূর্ণ করেন টাইগার উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
সাতে নেমে আশার আলো ফোটাচ্ছিলেন শামীম। ৩৪.৪ ওভারে ইফতিখারের ফাঁদে পা দেন টাইগার অলরাউন্ডার। উড়িয়ে মারতে গিয়ে ধরা দেন ইমাম-উল-হকের হাতে। ২৩ বলে ১৬ রান করে যান শামীম।
৩৭.২ ওভারে দলীয় ১৯০ রানে হারিস রউফের বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানের ক্যাচ হয়ে ফেরেন মুশফিক। ৮৭ বলে ৬৪ রান করে। পরে ১৯৩ রানে তাসকিন, আফিফ ও শরীফুলের উইকেট হারিয়ে ৩৮.৪ ওভারে থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
পাকিস্তানের হয়ে ৬ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন হারিস রউফ। ৫.৪ ওভারে ৩৪ রান খরচায় শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৩ উইকেট।








