আফগানিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে সিরিজ নির্ধারণী লড়াইয়ে বুড়ো হাড়ের ভেল্কি দেখিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তিনি ৯৮ বলে ৯৮ রানের ইনিংসে খেলেছেন। যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হওয়া মেহেদী হাসান মিরাজ। তার মাটি কামড়ানো ৬৬ রানের ইনিংসে লড়াইয়ের পূঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ।
ক্যারিয়ারের শততম ম্যাচে অধিনায়ক মিরাজ টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান তামিম শুরুটা দারুণ করেন, ৫৩ রানের জুটি আসে তাদের থেকে। একই ওভারে আউট হন দুই ওপেনার। পরে হাল ধরেন মিরাজ, সঙ্গে ছিলেন রিয়াদ। মিরাজ ১১৯ বলে ৬৬ রান করেন। বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪৪ রান।
নয় ইনিংস পর ফিফটি পেয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। গত বছরের অক্টোবরে ওয়ানডে বিশ্বকাপে ওয়াংখেড়েতে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন ডানহাতি ব্যাটার। পরে নয় ইনিংসে ফিফটি পেরোতে পারেননি। শেষ চার ইনিংসে তার স্কোর ছিল- ০,১,২,৩ রান।
১০তম ইনিংসে এসে ফিফটির দেখা পেলেন টাইগার ব্যাটার। ৬৩ বলে ফিফটি করার পথে ছিল চারটি চার ও একটি ছক্কার মার। তার ক্যারিয়ারের ২৯তম ফিফটি। রিয়াদ পরে ইনিংস ৯৮ পর্যন্ত নিয়ে যান। শেষ ওভারের শেষ বলে আউট হন, বঞ্চিত হন ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি থেকে।
অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকে ফিফটি করেছেন মিরাজ। নাজমুল হোসেন শান্তর চোটে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হয়েছে তার। তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে অধিনায়ক অভিষেকে ফিফটি করেছেন। মিরাজের আগে আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও হাবিবুল বাশার অভিষেক নেতৃত্বে ফিফটি করেছিলেন। মিরাজের ১০৬ বলে স্পর্শ করা ফিফটিতে ছিল দুটি চারের মার।
ওপেনার সৌম্য সরকার করেন ২৪ রান, আরেক ওপেনার তানজিদ তামিমের থেকে আসে ১৯ রানের ইনিংস। আফগান পেসার আজমতউল্লাহ ওমরজাই নিয়েছেন ৩ উইকেট। মোহাম্মদ নবী ও রশিদ খান নিয়েছেন একটি করে উইকেট।









