মিরপুর টেস্টে আফগানিস্তানকে বাঁচাতে পারে শুধু বৃষ্টি! তৃতীয় দিনের বিকেলে মেঘলা আবহাওয়ায় ফ্লাডলাইট জ্বালিয়েও বেশিক্ষণ খেলা চালিয়ে নেয়া সম্ভব হয়নি। নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট আগেই স্টাম্প থেকে বেলস তুলে ফেলেন আম্পায়ার। বৃষ্টির শঙ্কা থাকলেও খুব দুশ্চিন্তায় ভোগার কারণ নেই বাংলাদেশের। টেস্টের সময় রয়েছে আরও দুদিন। দরকার প্রতিপক্ষের ৮ উইকেট তুলে নেয়া।
সময় পড়ে থাকায় বাংলাদেশ লিড বেশ বড় করেছে। অসম্ভব এক সমীকরণ দিয়েছে আফগানিস্তানকে। ৬৬২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিন শেষে ২ উইকেটে ৪৫ রান তুলেছে সফরকারী দল। ৮ উইকেট হাতে রেখে আরও ছয়শর বেশি রান করতে হবে তাদের।
টেস্টে ৪১৫ রানের বেশি তাড়া করে জয়ের রেকর্ড নেই। সেখানে ২৭ মাস পর টেস্ট খেলতে নামা আফগানদের জন্য এই লক্ষ্য ছোঁয়া অসম্ভবই! বৃষ্টির ছোঁয়া পেলে তারা কেবল ম্যাচটা আরেকটু দীর্ঘ করতে পারে!
প্রথম ইনিংসে ৩৯ ওভারে ১৪৬ রানে গুটিয়ে যায় আফগান দলটি। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহের আশা জাগিয়ে ৯ রানে শেষের ৫ উইকেট হারিয়ে চারশর আগেই গুটিয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে সেই ভুল করেনি। ৪ উইকেটে ৪২৫ রান তুলে আফগানদের সামনে পাহাড় দাঁড় করায়।
প্রথম ইনিংসে ২৩৬ রানের লিড বাংলাদেশকে মিরপুর টেস্টে এগিয়ে দেয় অনেকটা। প্রথম ইনিংসে পর দ্বিতীয় ইনিংসেও নাজমুল হোসেন শান্ত সেঞ্চুরি করে লিড বড় করেন। সেটিকে চূড়ায় নিয়ে যান মুমিনুল হক ও লিটন দাস।
২৬ ইনিংস পর সেঞ্চুরি পান মুমিনুল। ১২১ রানে অপরাজিত থাকেন বাঁহাতি তারকা। টাইগার অধিনায়ক লিটন অপরাজিত থাকেন ৬৬ রানে।
তার আগে শান্ত ১২৪ রানের ইনিংস খেলেন। প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ১৪৬। জাকির হাসানের অবদানও কম নয়। শান্তর সঙ্গে বড় জুটির পথ ধরে খেলে যান ৭১ রানের ইনিংস। রানআউট না হলে আরেকটি সেঞ্চুরি হলেও হতে পারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে।
দ্বিতীয় দিন শেষ টাইগাররা তুলেছিল ১ উইকেটে ১৩৪ রান। সেখান থেকে যোগ হয় আরও ৩১১ রান। প্রথম ইনিংসে ২৩৬ রানের লিড পেয়েও আফগানদের ফলো-অন করায়নি বাংলাদেশ। সফরকারীদের ১৪৬ রানে অলআউট করে চা-বিরতির পর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং শুরু করেছিল লিটনের দল।







