টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে বাংলাদেশের ব্যাটারদের পাওয়ার হিটিংয়ের সামর্থ্যের অভাব নিয়ে অনেক সমালোচনা। ব্যাটিং অর্ডারে হিটিং আঁধারের মাঝে যেন খানিক প্রদীপের আলো তাওহীদ হৃদয়। রানের গতি বাড়িয়ে স্ট্রাইকরেট ঠিকঠাক রেখে ভূমিকা পালন করে চলেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টপঅর্ডারের পরিবর্তে তাকে ছয়ে পাঠানো হয়। যখন কিনা শুরুর দিকে দ্রুত রান তোলার সমীকরণ ছিল।
১১৬ রানের লক্ষ্য ১২.১ ওভারের ভেতর ছুঁতে পারলে প্রথমবারের মতো টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যেত বাংলাদেশ। শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে ২৩ রানে তারা হারিয়ে বসে ৩ উইকেট। বাড়তে থাকে ওভারপ্রতি প্রয়োজনীয় রানরেট। ম্যাচের এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হৃদয়কে ক্রিজে না পাঠানোর কারণ পরে জানালেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
‘ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে মিক্সআপ করা হয়েছে। এটার কারণ হল, আমরা ডানহাতি-বাঁহাতি ব্যাটিংয়ের সমন্বয়ের চেষ্টা করেছিলাম। লিটন একপাশে ব্যাট করছিল, ওদের বোলিংয়ে অনেক বৈচিত্র্য ছিল। সেজন্য ডানহাতি-বাঁহাতি ব্যাটিংয়ের সমন্বয় করা হচ্ছিল এবং এটা সবাই জানতো।’
গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচে ২০ বলে ৪০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে জয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন হৃদয়। টপঅর্ডারের ব্যর্থতা সত্ত্বেও সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়ের সুবাস তার ৩৭ রানের ইনিংসে জেগেছিল।
সুপার এইটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অন্যদের পথে না হেঁটে ২৮ বলে করেছিলেন ৪০ রান। আফগানিস্তানের সঙ্গে বেদনাদায়ক পরাজয়ের ম্যাচে অবাক করে তাকে ছয়ে নামানো হয়। ৯ বলে ১৪ রানের বেশি করতে না পারলেও মেরেছিলেন দুটি বাউন্ডারি।








