থাইল্যান্ডে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজধানী ব্যাংকক। প্রতিবেশী দেশ কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত বিরোধকে ঘিরে থাই প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপ ফাঁসের পর শুরু হওয়া এই বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ।
রোববার (২৯ জুন) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, ২০২৩ সালে ফিউ থাই পার্টি ক্ষমতায় আসার পর এটিই সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকার পতনের হাওয়া বইছে কখনোই ইউরোপীয় বা বিদেশি নিয়ন্ত্রণে না থাকা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে। আশঙ্কা আছে, গণআন্দোলনের জেরে ভেঙে যেতে পারে অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে চাপে থাকা পেতংতার্নের জোট সরকার।
রাতারাতি বদলে গেছে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের ভিক্টরি মনুমেন্টের চেহারা। ভারী বৃষ্টিতেও প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রার পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ।
থাই নাগরিকদের মধ্যে একজন বলেন, অতীতে আমি ও আমার পরিবার ফিউ থাই দলের সমর্থক ছিলাম। বাবা-মা-ভাইবোন সবাই তাদের পক্ষে ছিলাম। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যা করলেন, এই সম্পর্ক আর রাখতে চাই না।
আরেকজন বলেন, সবচেয়ে অগ্রহণযোগ্য বিষয় হচ্ছে সীমান্ত বিরোধ। প্রধানমন্ত্রী কীভাবে কম্বোডিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানকে বলেন থাই সেনা কমান্ডার আমাদের পক্ষে নেই?
উল্লেখ্য, ঘটনার সূত্রপাত গত মে মাসে। এসময় বিতর্কিত সীমান্ত অঞ্চলে সংঘাতে জড়ায় থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সেনাবাহিনী। এর একপর্যায়ে থাই প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান সিনেটের প্রেসিডেন্ট হুন সেনের ফোনালাপ ফাঁস হয়।
এসময় এক থাই সেনা কর্মকর্তার সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন দেশের রাজনীতিতে প্রভাব খাটানো থাই সেনাবাহিনীকে নিয়ে সমালোচনার জেরে জনগণের বিরাগভাজন হয়ে ওঠেন ৩৮ বছর বয়সী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা।









