বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ২০২৪ সালের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রার্থীরা ৯ থেকে ১২ অক্টোবর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। ২৬ অক্টোবর দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ হবে।
প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেয়ার সময় ১৪ ও ১৫ অক্টোবর। যাচাই-বাছাই হবে ১৬ অক্টোবর। মনোনয়নপত্র নিয়ে প্রার্থীদের আপত্তি থাকলে অভিযোগ করার যাবে ১৭ অক্টোবর এবং আপত্তির শুনানি হবে ১৮ অক্টোবর।
মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য দুদিন সময় রাখা হয়েছে, ১৯ ও ২০ অক্টোবর দুপুর পর্যন্ত। এরপর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে ২০ অক্টোবর বিকেলে।
পদ অনুযায়ী মনোনয়নপত্রের মূল্য নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। সভাপতি পদের মনোনয়নপত্র ১ লাখ টাকা, সিনিয়র সহ-সভাপতি ৭৫ হাজার টাকা, সহ-সভাপতি ৫০ হাজার টাকা এবং সদস্য পদের জন্য ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সভাপতি ও সিনিয়র সহ-সভাপতি পদের সংখ্যা একটি করে, সহ-সভাপতি ৪ জন ও সদস্য পদ থাকছে ১৫ জনের।
২৬ অক্টোবর নির্বাচনের জন্য তিন সদস্যের কমিশন গঠন করা হয়েছে আগেই। পঞ্চমবারের মতো প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পেয়েছেন মেজবাহ উদ্দিন। ২০০৮ সাল থেকে টানা চার মেয়াদে (২০১২, ২০১৬ ও ২০২০) বাফুফে নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তার সঙ্গে দুজন নির্বাচন কমিশনার হিসেবে থাকবেন এহসানুর রহমান ও সুরাইয়া আক্তার জাহান।
তিন সদস্যের নির্বাচনী আপিল কমিশনও গঠন করা হয়েছে। কমিটির চেয়ারম্যান বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. মো. জাকারিয়া। সদস্য হিসেবে রয়েছেন হারুনুর রশীদ ও মিহির সারওয়ার মোর্শেদ। নির্বাচন উপলক্ষে ১৩৩ জন ভোটার ডেলিগেট এবং ৯ জনের নন-ভোটার ডেলিগেটের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর বাফুফের সভাপতি পদে নির্বাচন করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছিলেন ফুটবল সংগঠক তরফদার রুহুল আমিন। নির্বাচনে সভাপতি পদে কাজী সালাউদ্দিন প্রার্থিতা না করার ঘোষণা দেয়ার পর রুহুল আমিনের ঘোষণা আসে। বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক সাফজয়ী আমিনুল হককে তরফদার রুহুল আমিনের বাফুফে সভাপতি প্রার্থিতা ঘোষণার অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছিল।
রুহুল আমিনের ঘোষণার পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর বাফুফের সভাপতি পদে নির্বাচনের ঘোষণা দেন বাফুফের সাবেক সহ-সভাপতি তাবিথ আউয়াল। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) তাবিথ ২০১২ ও ২০১৬ সালে বাফুফের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০২০ সালে একই পদে হেরে গিয়েছিলেন।
টানা চার মেয়াদে দায়িত্ব পালন করে চলা বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নানা রদবদলের ধাক্কায়ও বাফুফের আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তবে ১৪ সেপ্টেম্বর সিদ্ধান্ত থেকে সরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ না নেয়ার কথা জানান সাবেক এ কৃতি ফুটবলার।









