২০২৩ সালের ৩১ আগস্ট এশিয়া কাপের গ্রুপপর্বে নেপালের বিপক্ষে সবশেষ সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন বাবর আজম। এরপর ৮৩ ইনিংসে তিন অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি পাকিস্তান তারকা। ৮০৭ দিন ক্যারিয়ারের ২০তম ওয়ানডে সেঞ্চুরির দেখা পেলেন ৩১ বর্ষী। তার অপরাজিত শতকে শ্রীলঙ্কাকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। পাশাপাশি এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতেছে স্বাগতিক দলটি।
রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ নিয়ে অনিশ্চয়তা। ইসলামাবাদে আত্মঘাতী হামলার পর শ্রীলঙ্কার বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার দেশে ফিরে যেতে চেয়েছিলেন। তবে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির শ্রীলঙ্কার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তার অনুরোধে সফর চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় লঙ্কান বোর্ড। পরে একদিন পিছিয়ে দ্বিতীয় ওয়ানডে হয়েছে আজ শুক্রবার।
টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে শ্রীলঙ্কা। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ২৮৮ রান তোলে তারা। জবাবে নেমে ১০ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।
লঙ্কানদের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন জানিথ লিয়ানেগে। ৬৩ বলে ৫৪ রান করেন। কামিন্দু মেন্ডিস ৪৪, সাদিরা সামারাবিক্রমা ৪২, ভানিডু হাসারাঙ্গা ৩৭* এবং কামিল মিশারা ২৭ রান করেন। এছাড়া পাথুম নিশাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিসের ব্যাট থেকে আসে যথাক্রমে ২৪ ও ২০ রান।
পাকিস্তানের হয়ে আবরার আহমেদ ও হারিস রউফ ৩টি করে উইকেট নেন। মোহাম্মদ ওয়াসিম নেন এক উইকেট।
রানতাড়ায় ভালো শুরু পায় পাকিস্তান। উদ্বোধনীতে ফখর জামান ও সাইম আইয়ুব তোলেন ৭৭ রান। ৯.৪ ওভারে সাইম ফিরলে জুটি ভাঙে। ২৫ বলে ৩৩ রান করেন। দ্বিতীয় উইকেটে ১০০ রানের জুটি গড়েন ফখর ও বাবর। ৯৩ বলে ৭৮ রান করে ফখর ফিরলে জুটি ভাঙে।
এরপর আর কোনো উইকেট না হারিয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন বাবর ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। ওয়ানডে ক্রিকেটে ২০তম সেঞ্চুরি করা বাবর অপরাজিত থাকেন ৮ চারে ১১৯ বলে ১০২ রানে। রিজওয়ান অপরাজিত থাকেন ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৫৪ বলে ৫১ রানে।
লঙ্কানদের হয়ে দুটি উইকেট নেন দুশমন্থ চামিরা।









