বক্স অফিসে আরো একবার ইতিহাস গড়ল সদ্য মুক্তি প্রাপ্ত এস. এস. রাজামৌলি পরিচলিত সিনেমা ‘বাহুবলী: দ্য এপিক’। তবে এটি সম্পূর্ণ নতুন ছবি নয়! ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’ (প্রথম কিস্তি) ও ‘বাহুবলী ২: দ্য কনক্লুশন’ (দ্বিতীয় কিস্তি) এই দুই চলচ্চিত্রকে একত্রিত করে একটি নতুন সংস্করণে উপস্থাপন করছেন নির্মাতা।
মুক্তির আগেই অগ্রিম বুকিং থেকে বিশ্বব্যাপী ১০ কোটিরও বেশি আয় করে ছবিটি প্রমাণ করে দেয় ভক্তদের উন্মাদনা আগের মতোই তুঙ্গে। আর মুক্তির পর ইন্ডাস্ট্রি ট্র্যাকার স্যাকনিল্ক বলছে, ‘বাহুবলী: দ্য এপিক’ ভারতে মুক্তির প্রথম দিনেই ১০ কোটিরও বেশি আয় করেছে, যা পুনর্মুক্তি পাওয়া ছবির ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক রেকর্ড!
যেটি বিজয়ের ‘গিল্লি’ ও মহেশ বাবুর ‘খলেজা’র রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এমনকি সদ্য মুক্তি প্রাপ্ত প্রদীপ রঙ্গনাথনের ‘ডিউড’ এবং ‘লোকাহ: চ্যাপ্টার ১’কেও পিছনে ফেলে দিয়েছে।
তেলুগু ভাষাভাষী অঞ্চলে ছবিটির গড় ৬৩% অকুপ্যান্সি রেকর্ড হয়েছে। শুধু হায়দরাবাদেই ৪২৬টি শোয়ে প্রায় ৬৯.২৫% দর্শক উপস্থিতি ছিল, যা প্রমাণ করে যে রাজামৌলির এই সৃষ্টি এখনও দর্শকের মনে রাজত্ব করছে। প্রায় হাজার শোয়ে রাতের শোগুলিতে প্রায় সব আসন ভরে গিয়েছিল।
ভারতের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও দুর্দান্ত প্রতিক্রিয়া পেয়েছে ‘বাহুবলী: দ্য এপিক’। ১,১৫০টি পর্দায় নতুন করে মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। এর মধ্যে আমেরিকায় ৪০০টি, ইউকে এবং আয়ারল্যান্ডে ২১০টি পর্দায় চলছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দর্শকরাও ছবিটি ঘিরে উচ্ছ্বসিত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
এস.এস. রাজামৌলি পরিচালিত এই মাস্টারকাট সংস্করণে আগের মতোই দেখা গিয়েছে প্রভাস, রানা দাগুবতী, আনুশকা শেঠি, তামান্না ভাটিয়া, সত্যরাজ, নাসার এবং রাম্যা কৃষ্ণনকে। ‘বাহুবলী: দ্য এপিক’ পুনর্মুক্তির মাধ্যমে আবারও প্রমাণ করল, ভারতীয় সিনেমায় রাজামৌলির নাম আজও সাফল্যের সমার্থক।
‘বাহুবলী: দ্য এপিক’ শুধু আগের গল্পের পুনরাবৃত্তি নয়, বরং তা সম্পূর্ণ নতুনভাবে সাজানো হয়েছে উন্নত সিজিআই, রিমাস্টারড সাউন্ড ডিজাইন ও কালার গ্রেডিংয়ের মাধ্যমে। যুদ্ধের দৃশ্যগুলো আরও বাস্তবসম্মত, জীবন্ত। দর্শকদের একাংশের মতে, “এই সংস্করণটা থিয়েটারে না দেখলে বাহুবলীকে পুরোপুরি বোঝা যায় না।”








