বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাজপথে আন্দোলনের নামে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের যৌথ সভার শুরুতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিয়ে ছাত্রদলকে মাঠে নামানো হয়েছে। আওয়ামী লীগ দেখবে কত ধানে কত চাল। সব কিছুর শেষ আছে। মির্জা ফখরুল, আগুন নিয়ে খেলবেন না। আগুন নিয়ে খেললে পরিণাম ভালো হবে না।’
আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিহত করার জন্য সবাকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে আগুন সন্ত্রাসের জবাব রাজপথে দেয়া হবে। সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে আওয়ামী লীগ রাজপথে আছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী ২৫ জুন পদ্মাসেতুর উদ্বোধনে ইউনিয়ন পর্যন্ত উৎসব হবে। বিএনপি ছাত্রদলকে দিয়ে রাজপথে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে- রাজপথ কাউকে ইজারা দেওয়া হয়নি। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এর উপযুক্ত জবাব দেবে।
পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিএনপিকে দাওয়াত দেয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, পদ্মাসেতু উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণা করায় বিএনপির বুকে বিষজ্বালা উপচে পড়ছে। তবুও পদ্মা সেতুর অনুষ্ঠানে তাদের দাওয়াত দেয়া হবে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ বলেন, পদ্মা সেতু মানেই শেখ হাসিনা। তার সাহসের প্রতীক পদ্মা সেতু। শত মিথ্যাচারের পরও পদ্মা সেতু নিয়ে তিনি ছিলেন হিমালয়ের মত অটল। এটি নিয়ে এখনও বিএনপি অবিরাম মিথ্যাচার করছে।
সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রদল-ছাত্রলীগের সংঘর্ষের পরিপেক্ষিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ছাত্রদলকে ব্যবহার করে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে- কিন্তু সব কিছুর শেষ আছে। বেশি বাড়াবাড়ি ভালো না।
আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি তুলে লাভ হবে না, তত্ত্বাবধায়ক সরকার এখন জাদুঘরে। আগামী নির্বাচন হবে, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে। সরকার তাদের সহযোগিতা করবে।
‘‘যদি বিএনপি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে মাঠ থেকে সরে যায়, তাহলে যথাসময়েই নির্বাচন হবে। কারও জন্য অপেক্ষা করা হবে না। আওয়ামী লীগ রাজপথে ছিল, থাকবে। আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস করলে, রাজপথে জবাব দেবে আওয়ামী লীগ।’’







