কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে নৌকার অস্থায়ী নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
আজ ২২ ডিসেম্বর শুক্রবার ভোরে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের তেবাগা নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটে। আগুনে নির্বাচনী ক্যাম্পের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জানা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য পুলিশের সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদকে হটিয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পান অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল কাহহার আকন্দ। এই আসন থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সোহরাব উদ্দিন।
দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঈগল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী লড়াই করছে। এছাড়াও এই আসনে বিএনপি’র বহিষ্কৃত নেতা সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন ট্রাক প্রতীকে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করেছেন। এছাড়াও এ আসনে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ এর মো. বিল্লাল হোসেন টেলিভিশন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি-এনপিপির আলেয়া আম, গণফ্রন্টের মীর আবু তৈয়ব মো. রেজাউল করিম মাছ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।
এই আসনে সাধারণ ভোটারদের ধারণা, নির্বাচনী নৌকার প্রার্থী আব্দুল কাহহার আকন্দ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ঈগল প্রথীকের প্রার্থী সোহরাব উদ্দিনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
নৌকার প্রার্থী আব্দুল কাহহার আকন্দ জানান, আমি বর্তমানে ঢাকায় রয়েছি। আমার ক্যাম্পে তো আর আমার লোকজন আগুন দিবে না। প্রতিপক্ষের লোকেরাই দিবে। মাঠে আমার একমাত্র প্রতিপক্ষ ঈগল প্রতীকের সোহরাব উদ্দিন। আমাদের ধারণা স্বতন্ত্র ঈগল প্রতীকের প্রার্থীর লোকজনের মাধ্যমে এ ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে আমার পোস্টার ছেড়া হয়েছে। আমি এই বিষয়ে অভিযোগ করার জন্য থানায় লোক পাঠিয়েছি।
ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহরাব উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এলাকায় আমার পক্ষে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে। সাধারণ ভোটাররা আমার পক্ষে কাজ করছেন। নৌকার প্রার্থীর সাথে আমাদের কোন সমস্যা নেই। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে আমাদের জানা নেই। আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। সেভাবেই আমার নেতাকর্মীরা কাজ করছেন।
কটিয়াদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ করা হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







