মেলবোর্নে ‘বক্সিং ডে’ টেস্টে শান্তির প্রতীক ‘পায়রা’ খচিত জুতা ও ব্যাট নিয়ে নামার অনুমতি চেয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়া ওপেনার উসমান খাজা। ইসরায়েলের অভিযানের শিকার ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি সমর্থনে চাওয়া অজি তারকার সেই আবেদন প্রত্যাখান করেছে আইসিসি। ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থার এমন নিষেধাজ্ঞার ব্যাখ্যা দিয়েছেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নিক হকলি। বলেছেন, ‘বৃহত্তর স্বার্থে’ এমন সিদ্ধান্ত দিয়েছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার সিএ প্রধান হকলি বলেছেন, ‘আবার আমরা উসমান খাজার সাথে এ বিষয় নিয়ে কাজ করেছিলাম এবং নির্দলীয়, অধার্মিক ও অরাজনৈতিক কিছু খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছিলাম। পায়রা বিশ্বব্যাপী শান্তির প্রতীক হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু আমার মনে হয় আইসিসি বৃহত্তর স্বার্থে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
‘এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট, আমাদের খেলোয়াড়রা যে যেই বিষয়ে বিশ্বাসী, নিজেদের মাধ্যমে সেগুলোর প্রচার তারা করতে পারবে। কিন্তু আমি মনে করি, সঙ্গত কারণেই আইসিসির খুব স্পষ্ট নিয়ম রয়েছে।’
‘মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শুক্রবার এ বিষয়ে আমি কথা বলেছি। যে বিষয়টি সত্যিই আলোচিত হয়েছে তা হল, প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা প্রয়োজন।’ সবক্ষেত্রে ধারাবাহিকতার কথা বলছিলেন হকলি।
মঙ্গলবার মেলবোর্নে শুরু হওয়া অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান দ্বিতীয় টেস্টে জুতায় শান্তির প্রতীক পায়রার স্টিকার লাগিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন খাজা। আইসিসির আপত্তিতে সেটি পারেননি।
এরআগে, ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি সংহতি জানাতে পার্থ টেস্টেও বিশেষ জুতা পরে খেলতে চেয়েছিলেন খাজা। আইসিসির বাধায় তা পারেননি অস্ট্রেলিয়ার তারকা ব্যাটার। পরে কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নেমেছিলেন, যেজন্য সতর্ক করা হয়েছে খাজাকে।








