মেয়েদের ক্রিকেট উন্নয়নে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আইসিসি। অভিভাবক সংস্থাটির ইভেন্টে ছেলেদের সমান ম্যাচ ফি দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল মেয়েদেরও। বিশ্বকাপে সেটিও ছাড়িয়ে ঐতিহাসিক ঘোষণা দিয়েছে আইসিসি। মেয়েদের আসন্ন ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রাইজমানি থাকছে ছেলেদের গত ওয়ানডে বিশ্বকাপের চেয়েও বেশি। সোমবার বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে আইসিসি।
আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে বসবে মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আসর। একমাসের বেশি সময় ধরে চলবে টুর্নামেন্ট, ২ নভেম্বর শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ দিয়ে পর্দা নামবে মহাযজ্ঞের। ৩১ ম্যাচের টুর্নামেন্টের জন্য রেকর্ড পরিমাণ প্রাইজমানি ঘোষণা করেছে আইসিসি।
মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপে আগের আসরের চেয়ে প্রাইজমানি বাড়ছে চারগুণ। আট দলের আসরে মোট প্রাইজমানি ধরা হয়েছে ১ কোটি ৩৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। ২০২২ সালে নিউজিল্যান্ডে আগের আসরের ৩৫ লাখ ডলার (৩৮.৫ কোটি টাকা) থেকে ২৯৭ শতাংশ বেশি।
ভারতে ১০ দলের ২০২৩ ছেলেদের ওয়ানডে বিশ্বকাপে মোট প্রাইজমানি ছিল ১ কোটি মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১১০ কোটি টাকা।
এবার মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন দলের প্রাইজমানি থাকছে ৪৪ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। গতবারের চেয়ে অঙ্কটা ২৩৯ শতাংশ বেশি। মেয়েদের গত বিশ্বকাপের বিজয়ী অস্ট্রেলিয়া পেয়েছিল ১৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার।
২০২৩ ছেলেদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতে অস্ট্রেলিয়া পেয়েছিল ৪০ লাখ মার্কিন ডলার। এবার তাদের চেয়ে ৪ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার বেশি পাবেন মেয়েদের বিজয়ীরা। এবারের রানার্সআপ দল পাবে ২২ লাখ ৪০ হাজার ডলার। গতবারের চেয়ে যা ২৭৩ শতাংশ বেশি। গতআসরের রানার্সআপ ইংল্যান্ডের প্রাপ্তি ছিল ৬ লাখ ডলার।
সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেয়া দুদলের প্রাইজমানি ১১ লাখ ২০ হাজার ডলার। আগের আসরে যা ছিল ৩ লাখ ডলার। পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে থাকা দল এবার পাবে ৭ লাখ ডলার করে, সপ্তম ও অষ্টম স্থানে থাকা দল পাবে ২ লাখ ৮০ হাজার ডলার করে। গ্রুপ পর্যায়ে প্রতিটি ম্যাচ জয়ের জন্য অর্থ পুরস্কার থাকছে ৩৪ হাজার ৩১৪ ডলার। কোন ম্যাচ জিতেতে না পারলেও শুধু অংশগ্রহণের জন্য প্রতিটি দল পাবে আড়াই লাখ ডলার করে।









