বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি সিরিজে শেষ টেস্টের প্রথমদিনের শেষ বলের ঘটনা। বল করার আগে উসমান খাজার প্রস্তুত হতে সময় লাগা, তারপর ননস্ট্রাইকে থাকা স্যাম কনস্টাসের সাথে জাসপ্রীত বুমরাহ উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। ওই বলে খাজাকে আউট করে কনস্টাসের দিকে তেড়ে গিয়ে উদযাপন করেন বুমরাহ ও ভারত দলের সবাই। ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন অস্ট্রেলিয়ার কোচ।
ভারতীয়দের এমন আচরণ ঘিরে ১৯ বর্ষী কনস্টাসকে ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলে আইসিসির নিয়ম-কানুনের কথা তুলেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড। অজি কোচের অভিযোগের উত্তরে ভারতের কোচ গৌতম গম্ভীর বলেছেন, আপনি এত নরম হতে পারবেন না।
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডের ওই ঘটনায় গম্ভীর বলেছেন, ‘দেখেন, এটা কঠিন খেলা যা কঠিন মানুষেরা খেলে। আপনি এত নরম হতে পারবেন না। বিষয়টি খুবই সাধারণ ঘটনার মতো ছিল। আমার মনে হয়নি সেখানে ভয় দেখানোর মতো কিছু হয়েছে।’
‘খাজা যখন সময় নিচ্ছিল, কনস্টাসের বুমরাহ’র সাথে এ বিষয়ে কথা বলার কোনো অধিকার নেই। বুমরাহর সাথে বিবাদে জড়ানোর কোনো অধিকার তার নেই। ওই কাজটি আম্পায়ার এবং অপরপ্রান্তে যে ব্যাট করছে তাদের কাজ।’
তবে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বিরাট কোহলির সাথে ঘটনার পর দর্শকদের সাথে মজা করা, শেষ টেস্টের শেষ ইনিংসে দারুণ শুরু এনে দেয়া, বুমরাহর সাথে বাদানুবাদ ও ক্যারিয়ারের শুরুতে যেভাবে জাত চেনাতে শুরু করেছেন কনস্টাস, সেটির প্রশংসাই করছেন অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। তরুণ ওপেনারের পক্ষও নিয়েছেন তিনি।

‘প্রথমত, আইসিসি নিয়ম বানিয়েছে এবং শাস্তিও নির্ধারণ করেছে। আমরা সেটা মেলবোর্নে দেখেছি, বিরাটের সাথে ঘটনায় ২০ শতাংশ জরিমানা তারাও দেখেছে। সুতরাং, সেটাই মানদণ্ড যাতে তারা খুশি।’
‘এ বিষয়গুলো কনস্টাস যেভাবে সামলেছে আমি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি। আমি মনে করি গুন্ডামি বা অপব্যবহারের সাথে কিছুটা আস্থার ভুল থাকে। তাকে কাঁধ ফুলিয়ে ঘুরতে এবং কিছু শট খেলার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এটাতে অস্বাভাবিক কিছু দেখি না, কিন্তু কিছু মানুষ সত্যিই এটাকে ভুল মনে করে তাকে ফিরিয়ে দিতে চায়। আমাদের খেলোয়াড়দের একই কথা বলি- প্রতিদিন যাও, যেভাবে ইচ্ছা হয় নিজের প্রতিনিধিত্ব করো। তার যেভাবে প্রয়োজন হয়েছে সেভাবে, সে সেভাবে করেছে।’









