ভবিষ্যতের অধিনায়ক হিসেবে যোগ্য খেলোয়াড় বেছে নেয়ার জন্য ভিন্ন পন্থায় হাঁটছে অস্ট্রেলিয়া। এখন থেকে টেস্টে দুই সহ-অধিনায়ক নিয়ে লাল-বলের ক্রিকেটে অজিরা মাঠে নামবে। প্যাট কামিন্সের সহকারী হিসেবে আগে থেকেই দায়িত্বে আছেন স্টিভেন স্মিথ। এবার সহ-অধিনায়কের সহ-অধিনায়ক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা হচ্ছে ট্রাভিস হেডকে।
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ও ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালের নায়ক ছিলেন হেড। ২৯ বর্ষী বাঁহাতি ব্যাটার পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট দলে আছেন, বুধবার তাকে দ্বিতীয় সহ-অধিনায়ক করা হয়।
এবছরের শুরুর দিকে ভারতে প্রথম টেস্টে বিতর্কিতভাবে বাদ পড়েছিলেন হেড। গত দুবছর সব ফরম্যাটেই দারুণ ফর্মে থাকা ব্যাটার দলে জায়গা পাকাপোক্ত করেছেন। অজি অধিনায়ক কামিন্স নিশ্চিত করেছেন, হেডকে সহ-অধিনায়কত্ব দেয়ার পদক্ষেপটি ভবিষ্যতের দিকে নজর রেখেই।
‘তিনি দীর্ঘদিন ধরে খেলছে। সবসময় আমাদের দলের একজন নেতা ছিলেন। তাই আমরা ভেবেছিলাম, বিষয়টাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়ার এখন ভালো সময়। স্টিভেন স্মিথ চিরকাল খেলবেন না। আমি চিরকাল অধিনায়ক থাকছি না। তাই আমরা মনে করি, আমাদের দলকে ভবিষ্যতে প্রমাণ করার জন্য কিছু দায়িত্ব আছে। অন্য নেতাদের সুযোগ দেয়ার চেষ্টা শুরু করেছি।’
‘আমি মনে করি হেড যেমন ব্যক্তিত্বকে দলের মাঝে নিয়ে আসে, তা এমন এক ব্যাপার যা আমরা সকলেই পছন্দ করি। এতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ স্বাধীনতা রয়েছে। তিনি খেলাটি উপভোগ করেন। তার মুখে সবসময় হাসি থাকে।’
‘আমরা তাকে একটা ভালো সুযোগ দিচ্ছি। যখন ভবিষ্যতে সম্ভাব্য অধিনায়কদের তালিকার দিকে তাকাবেন, অবশ্যই তিনি থাকবেন। কখনো কখনো আপনি ভুল করতে পারেন। কেউই খেলার বিষয়ে গভীর চিন্তাবিদ নন। তবে কৌশলগতভাবে মনে করি, হেড দুর্দান্ত।’
২১ বছর বয়সে শেফিল্ড শিল্ডে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক হওয়ার পর হেড দীর্ঘদিন ধরে একজন ভবিষ্যৎ অধিনায়ক হিসেবে তৈরি হচ্ছিলেন। প্রথম তিন মৌসুমে দুটি শিল্ড ফাইনালসহ ৬২টি শিল্ড ম্যাচে সাউথ অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
দুটি মার্শ কাপ ফাইনালসহ ২৭টি লিস্ট-এ ম্যাচে রাজ্যের নেতৃত্ব দিয়েছেন হেড। ২০১৭-১৮ মৌসুমে বিগ ব্যাশে অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের হয়ে শিরোপা জিতেছেন। ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়া এ-দলের হয়ে ৮ ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন।







