এশিয়া কাপের ইতিহাসে নিজেদের প্রথম জয়ের দেখা পেল সংযুক্ত আরব আমিরাত। জুনায়েদ সিদ্দিকির বোলিং তাণ্ডবে ওমানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে জয় তুলে নিয়েছে তারা। আগে চারবার এশিয়া কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলেও কখনও জয়ের স্বাদ পায়নি আমিরাত। তাদের জয়ে ৪ উইকেট নেন জুনায়েদ এবং ৬৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন মুহাম্মদ ওয়াসিম।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ‘এ’ গ্রুপে দুদলেরই দ্বিতীয় ম্যাচ ছিল এটি। ওমানের বিপক্ষে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে আমিরাত। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭২ রানের সংগ্রহ গড়ে। লক্ষ্যে নেমে ১৮.৪ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ওমান করে ১৩০ রান । ৪২ রানে জয় পায় আমিরাত।
ওপেনিং জুটিতে ৬৬ বলে ৮৮ রানের সংগ্রহ আনেন আমিরাতের আলিসান শারাফু এবং ওয়াসিম। দশম ওভারে ৩৮ বলে ৫১ করে ফিরে যান শারাফু, সাতটি চার ও একটি চক্কায় সাজানো ইনিংস। আসিফ খান ক্রিজে নেমে সুবিধা করতে পারেনি, ৫ বলে ২ করে সাজঘরে ফেরেন। মুহাম্মদ জোহাইবের সাথে আবারও হাল ধরেন ওয়াসিম, ২৯ বলে ৪৯ রানের জুটি গড়েন তারা। জোহাইব ১৩ বলে ২১ করে আউট হলে হারশিত কৌশিকের সাথে মিলে একপ্রান্ত আগলে রাখেন ওয়াসিম। শেষে ৫৪ বলে ছয়টি চার ও তিনটি ছক্কায় ৬৯ রানের ইনিংস খেলে রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ওয়াসিম।
ওমানের হয়ে জিতেন রামানান্দি দুটি উইকেট পান। সামায় শ্রীভাস্তাভা ও হাসাইন শাহ একটি করে উইকেট নেন।
জবাবে নেমে ওমানের শুরুটা ভালো হয়নি। ৫০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। দুই ওপেনারকে সাজঘরে ফেরান জুনায়েদ সিদ্দিকি। আমির কালেম ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন। দলীয় ২৩ রানে আরেক ওপেনার জাতিন্দ্র সিং ২০ করে আউট হন। একের পর এক টপঅর্ডার ব্যাটার হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় ওমান। হাল ধরার চেষ্টা করেন শাহ ফয়সাল এবং আরিয়ান বিশাত, ৩৬ বলে ৩৮ রানের তাদের জুটি থামে ফয়সালের আউটে। ১২ বলে ৯ রান করেন তিনি। বিশাত ৩২ বলে করেন ২৪ রান। পরে কোন ব্যাটার আর সুবিধা করতে না পারলে সব উইকেট পতনে ইনিংস থামে ওমানের।
আমিরাতের হয়ে জুনায়েদ নেন ৪ উইকেট। মুহাম্মদ রহিদ নেন একটি, হায়দার আলী ও মুহাম্মদ জাওয়াদুল্লাহ নেন দুটি করে উইকেট।
জয়ে ‘এ’ গ্রুপে পয়েন্ট টেবিলে পাকিস্তানের পাশাপাশি দুম্যাচে এক জয় নিয়ে দুই পয়েন্ট আমিরাতের। দুই ম্যাচে দুটি জয় নিয়ে ৪ পয়েন্টে শীর্ষে ভারত এবং কোন জয় ছাড়া তলানিতে ওমান।









