কলকাতায় ভীষণ জনপ্রিয় বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড মাইলস। বিশেষ করে নব্বই দশকের কলকাতার তারুণ্যও মাইলসের গানে বুঁদ হয়ে থাকতো। যারা টুকটাক ব্যান্ড সংগীত করার চেষ্টা করছিলেন সেসময়, শাফিন আহমেদ ছিলেন তাদের কাছে আইডল। বাংলার এই অন্যতম শিল্পীর প্রয়াণে তাই কাঁদছে তাই কলকাতাও!
বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের সংগীত অঙ্গনে শাফিনকে হারানোর শোক স্পষ্ট। শিল্পী থেকে সাধারণ মানুষও শাফিন ও মাইলসকে নিয়ে উচ্চারণ করছেন তারুণ্যের বহু স্মৃতি। তাদের একজন ভারতের মেধাবী শিল্পী অর্ক মুখার্জী।
শাফিনকে হারানোর দিনে অর্ক স্পষ্ট করেই জানান দিলেন, তরুণ বয়সে শ্রোতা হিসেবে তাকে কতোটা প্রভাবিত করেছে বাংলাদেশি ব্যান্ড মাইলস! জানিয়েছেন, কী করে কতো কষ্ট করে যোগাড় করতেন মাইলসের অ্যালবাম।
তরুণ বয়সের স্মৃতির কথা উল্লেখ করে অর্ক লিখেছেন,“অনেক কষ্ট করে গানগুলো জোগাড় করতে হত। তখন ইউটিউব ছিল না। ভাল গিটার ছিল না। পকেট ছিল গড়ের মাঠ। সদর স্ট্রিটে একটি দোকানে ব্ল্যাংক ক্যাসেট দিলে সস্তায় কপি করে দিত।”
সত্যিকার অর্থে এটা শুধু সংগীতপ্রিয় অর্কের অবস্থা নয়, তৎকালীন বাংলা ভাষাভাষি সংগীতপ্রেমী সবার কাছেই ভীষণ গ্রহণযোগ্য অবস্থান তৈরী করেছিলেন শাফিন আহমেদ এবং মাইলস। তাইতো কলকাতার সংবাদমাধ্যমগুলোতেও শাফিন আহমেদের আকস্মিক মৃত্যু নিয়ে লেখা হচ্ছে নানা শোকগাঁথা।
এদিন অর্ক শুধু স্মৃতিচারণই করেননি। সেইসাথে শাফিন আহমেদের গাওয়া একটি গানও নিজের মতো কণ্ঠে তুলে নিয়েছেন এই শিল্পী। গানটি মাইলসের ‘প্রবাহ’ অ্যালবামের, গানের শিরোনাম ‘পলাশীর প্রান্তর’।
প্রসঙ্গত, একটি কনসার্টে অংশ নিতে চলতি মাসেই যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন শাফিন আহমেদ। ২০ জুলাই ছিলো সেই কনসার্ট, কিন্তু তার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়েন এই শিল্পী। ভার্জেনিয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৬টার দিকে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বহু কালজয়ী গানের এই শিল্পী।
অর্কের কণ্ঠে শাফিনের ‘পলাশীর প্রান্তর’-









