এবারের নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি বলে যারা অভিযোগ তুলেছেন তাদের প্রতি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কেন নির্বাচন ভালো হয়নি সে জবাব তাদের দিতে হবে।
আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, দল ও স্বতন্ত্রদের মধ্যে কোন সংঘাত হলে তা হবে আত্মঘাতী। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে চাঁদাবাজি ও মজুতদারির বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারিরও তাগিদ দেন সরকার প্রধান।
টানা চতুর্থবার সরকার গঠনের পর এটিই আওয়ামী লীগের প্রথম বর্ধিত সভা। সভায় ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটি ও উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, দলীয় ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য, স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি, জেলা-উপজেলা ও পৌর কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং সহযোগী সংগঠনের নেতারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করেন বলেন, এবার যদি নির্বাচন উন্মুক্ত না হতো তাহলে গণতন্ত্র নস্যাৎ হতো। নির্বাচন যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, তার জন্য নির্বাচন উন্মুক্ত করে দিয়েছিলাম। এই নির্বাচনকে কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারেনি। যারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, তাদের কাছে প্রশ্ন, কী কী কারণে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি সেটা বলতে হবে।
জয়ী ও পরাজিত প্রার্থীদের, মনকষাকষি না করে একসাথে কাজ করার নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। রমজান মাসকে সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন সরকার প্রধান।
যারা নির্বাচিত হয়ে এসেছেন তাদের ক্ষমতার উৎস জনগণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনে তারা জয়ী হয়েছেন তা পূরণ করতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে এ দেশের মানুষ অস্ত্র তুলে নিয়ে যুদ্ধ করেছিলেন। জাতির পিতাকে হত্যা করার পরে ২১ বছর ক্ষমতা জনগণের হাতে ছিল না। ক্ষমতা বন্দী ছিল ক্যান্টনমেন্টে। জনগণের কোনো অধিকার ছিল না। আওয়ামী লীগ ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিল।
বিশেষ বর্ধিত সভায় শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন দলের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া। সভাটি সঞ্চালনা করেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ।







