বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের মূল গল্পে অনিমেষ আইচ নির্মাণ করেছেন ওয়েব ফিল্ম মায়া। ১০০ বছর আগের প্রেক্ষাপটে নির্মিত ওয়েবে দেখা যাবে, মানবেন্দ্র নামক এক গরীব বামুন সন্তান জীবিকার সন্ধ্যানে একটি গ্রামে আসে।
সেখানে পরাশর বাবুর পুরোনো এক বাড়ি পাহারার চাকুরি পায়। গ্রামবাসীর শত বাধা সত্বেও সে এই অভিশপ্ত বাড়িতে অবস্থান করে। সেই বাড়িতে নানান রকম অলৌকিক ঘটনা ঘটতে থাকে।
মানবেন্দ্র এক অশরীরি আত্মা, চিনুর প্রেমে পড়ে। কী এক মায়ায় যেন আটকে যায়, কোনভাবেই সে আর ওই বাড়ি থেকে বের হতে পারে না।
মানবেন্দ্র কি পারবে বাড়িটি থেকে বেরিয়ে আসতে, নাকি সে আটকে যাবে আরও গভীর কোনো মায়ায়?
পরিচালক অনিমেষ আইচ বলেন, বিভুতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের খুবই জনপ্রিয় অতিলৌকিক গল্প মায়া। গল্পটি প্রায় একশ বছর আগের প্রেক্ষাপটে রচিত। আমরা গল্প থেকে যখন সিনেমা বানাই, তখন চেষ্টা করি গল্পের মূল এসেন্স ঠিক রেখে সিনেম্যাটিক কায়দায় গল্পটিকে পর্দায় তুলে আনতে। এই গল্পে ভৌতিক ঘটনার আড়ালে একটা প্রেম কাহিনী সাবপ্লট হিসেবে আছে। মানুষ মায়া নিয়ে বাঁচে, মায়ার সম্পর্ক মানুষকে মানুষ হওয়ার জন্য অনুপ্রেরনা জোগায়।
এতে অভিনয় করেছেন বৃন্দাবন দাস ও শাহনাজ খুশী দম্পতির পুত্র দিব্য জ্যোতি ও সৌম্য জ্যোতি। অভিনেত্রী গোলাম ফরিদা ছন্দার দুই কন্যা টাপুর ও টুপুরকেও দেখা যাবে এই ওয়েব ফিল্মে।
আরো অভিনয় করছেন বৃন্দাবন দাস, গোলাম ফরিদা ছন্দা, মিতুল রহমান, তানভীর হোসেন প্রবাল, সাহানা সুমীসহ অনেকে। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দীপ্ত প্লে-তে মায়া মুক্তি দেয়া হবে।







