জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচন ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতিতে বিভক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তি। সংগঠনটির দাবি, একটি সংগঠন তড়িঘড়ি করে নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করছে, আরেকটি সংগঠন নির্বাচন পিছিয়ে জাতীয় নির্বাচনের সময়ের কাছাকাছি নিতে চায়।
রোববার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচে আয়োজিত ‘জকসু নির্বাচনের আচরণবিধি ও স্পোর্টস কার্নিভাল’ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সদস্য সচিব শাহিন মিয়া বলেন, একটি সংগঠন নির্বাচনকে পেছানোর চেষ্টা করছে, আরেকটি সংগঠন তড়িঘড়ি করে দিতে চাইছে। আমরা চাই এমন একটি নির্বাচন, যেখানে শিক্ষার্থীরা অবাধভাবে অংশ নিতে পারবে এবং সবাই সমান সুযোগ পাবে। নির্বাচন কমিশন যেন প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি গ্রহণযোগ্য সময়সূচি ঘোষণা করে এবং কোনো পক্ষের প্রভাবে না পড়ে। নির্বাচন কমিশনের যে সাহসী ও নিরপেক্ষ ভূমিকা দেখানোর কথা, আজকের মতবিনিময় সভায় আমরা তা দেখতে পাইনি।
সংগঠনের আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ বলেন, আমরা সব সময় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে। আমরা চাই না যে, ক্লাস-পরীক্ষা বাদ দিয়ে হঠাৎ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। অন্যদিকে, ছাত্রশিবির দ্রুত নির্বাচন চায়, আর ছাত্রদল সেটি পেছাতে চায়—যা নির্বাচনী পরিবেশকে জটিল করে তুলছে। জাতীয় নির্বাচন ও জকসু নির্বাচন একই সময়ে হলে তা প্রশাসনিকভাবেও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
ছাত্রশক্তির নেতারা বলেন, তারা চান জকসু নির্বাচন এমন সময়ে অনুষ্ঠিত হোক, যাতে সব শিক্ষার্থী সমানভাবে অংশ নিতে পারে এবং কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা চাপের প্রভাব না থাকে।









