রাজধানীর পশ্চিম রামপুরায় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল দীপ্ত টিভির সম্প্রচার কর্মকর্তা তানজিল জাহান ইসলাম ওরফে তামিম হত্যার ঘটনায় মো. রাসেল নামের আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বিএনপি নেতা শেখ রবিউল আলম রবিকে গ্রেপ্তারে সাঁড়াশি অভিযান চলছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
শনিবার ভোরে রাসেলকে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়াল ছয় জনে। এর আগে যে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তারা হলেন- আব্দুল লতিফ, কুরবান আলী, মাহিন, মোজাম্মেল হক কবির ও বাঁধন।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম আযম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে রাসেলকে শনাক্ত করা হয়। তিনি সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন।
এছাড়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে প্লিজেন্ট প্রোপার্টির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শেখ রবিউল আলম রবিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। শেখ রবিউল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। এদিকে সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে এবার তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দিয়েছে বিএনপি।
এরআগে, শুক্রবার সন্ধ্যার পর হাতিরঝিল থানা পুলিশের একটি দল রবির হাতিরপুলের বাসায় অভিযান চালায়। তবে সেসময় বাসায় কাউকেই পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার সকালে জমির মালিক সুলতান আহমেদের ছেলে ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল দীপ্ত টিভির সম্প্রচার কর্মকর্তা তানজিল জাহান ইসলাম তামিমকে বাড়ি নির্মাণ ও ফ্ল্যাট ভাগাভাগি নিয়ে আবাসন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিরোধের জেরে হত্যা করা হয়।
ভবন নির্মাণের জন্য জমির মালিক সুলতান আহমেদ প্লিজেন্ট প্রপার্টিজ (প্রা.) লিমিটেড নামে একটি আবাসন নির্মাণ কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করেন। চুক্তি অনুসারে জমির মালিকদের ফ্ল্যাটের অংশ বুঝিয়ে দেওয়া নিয়ে জমির মালিকদের ও কোম্পানির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।









