৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন

বেশ কয়েক দফায় পেছানোর পর অবশেষে আগামী বছর ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৯ অগাস্ট পাকিস্তানের পার্লামেন্ট ভেঙে যাওয়ার পর বর্তমানে কেয়ারটেকার সরকার দেশটির প্রশাসন পরিচালনা করছে।

ডয়েচ ভেলে জানিয়েছে, গতকাল ২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি এবং নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদের মধ্যে দীর্ঘ বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। গত ৯ অগাস্ট থেকে দেশটির পার্লামেন্টের সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে। সাধারণত এই সময়সীমা শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে পরবর্তী নির্বাচন করতে হয়। কিন্তু এবার তার ব্যতিক্রম হচ্ছে।

পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের নতুন আদমশুমারির রিপোর্ট হাতে আসায় এর ভিত্তিতে ডিলিমিটেশন বা কেন্দ্রগুলির সীমানা পরিবর্তিত হবে। তার জন্য সময় প্রয়োজন। সে কারণেই নির্বাচন কিছুটা পিছিয়ে ফেব্রুয়ারিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সর্বসম্মতিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কেন হচ্ছে না, এই প্রশ্ন তুলে ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের আদালতে বেশ কয়েকটি মামলা শুরু হয়েছে। গতকাল এই বিষয়ে একটি মামলা চলার সময় পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রেসিডেন্ট এবং নির্বাচন কমিশনকে একটি চূড়ান্ত দিন ঘোষণার নির্দেশ দিলে দেশটির জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হয়।

আরিফ আলভিজাতীয় নির্বাচনপাকিস্তান