ফেসবুক-ইউটিউবের নিবন্ধনে আইন হবে: তথ্যমন্ত্রী

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে বাধ্যতামূলক নিবন্ধনের আওতায় আনতে নতুন আইন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ। 

তিনি বলেছেন, আগামী সংসদে এ আইন হবে; এ বিষয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে তার কথা হয়েছে।

সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরে মঙ্গলবার ‘গুজব প্রতিরোধ সেল এবং ফ্যাক্টস চেকিং কমিটির’ সঙ্গে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছিলেন তথ্যমন্ত্রী।এ সময় প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহেনুর মিয়াসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গুজব প্রতিরোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর সঙ্গে সরকার আলোচনা করছে কিনা, সেই প্রশ্নে হাছান মাহমুদ বলেন, আসলে সেটাও একটা বড় প্রতিবন্ধকতা। ভারত আইন করেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সকল সার্ভিস প্রোভাইডারদের সেখানে নিবন্ধিত হতে হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন আইন করেছে, সেখানে নিবন্ধিত হতে হয়। যুক্তরাজ্য আইন করেছে, সেখানে নিবন্ধিত হতে হয়। অন্যান্য দেশ আইন করেছে, আমাদের দেশে এখনও আইনটি হয়নি।

আমরা তাদের (সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কর্তৃপক্ষ) সঙ্গে আলোচনা করছি এবং বারবার তাগাদা দিচ্ছি। এখানে অফিস করার জন্য বলছি এবং বাংলাদেশের আইনে নিবন্ধিত হওয়ার জন্য বলছি। তবে তাদের এখানে নিবন্ধিত হতেই হবে সেই বাধ্যবাধকতা আরোপ করার আইনটি এখনও করা হয়নি। সেটি করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

বিদেশে বসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে গুজব রটানো হয়, সে বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেবেন- জানতে চাইলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, বিদেশে বসে নানা ধরনের গুজব অনেকে ছড়ায়। আমরা এসব বিষয়ে ওয়াকিবহাল। আগের তুলনায় অনেকটা কমেছে।

যেসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়াচ্ছে, সেসবের স্বত্বাধিকারীদের  সঙ্গে সরকারের কোনো আলাপ আলোচনা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে এটি বড় প্রতিবন্ধকতা। ভারত আইন করেছে, সব সার্ভিস প্রোভাইডার বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে নিবন্ধিত হতে হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউকে আইন করেছে সেখানে নিবন্ধিত হতে হবে। আমাদের দেশে আইনটি এখনও হয়নি। আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করছি। বার বার তাগিদ দিচ্ছি এবং এখানে অফিস খোলার কথা বলছি। পাশাপাশি বাংলাদেশি আইনে নিবন্ধিত হওয়ার কথা বলছি। কিন্তু আমাদের এখানে নিবন্ধিত হতেই হবে, সে বাধ্যবাধকতা আরোপের আইনটি এখনও হয়নি। সেটি করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আমি আইনমন্ত্রীর  সঙ্গে কথা বলেছি, এখন তো আইন করার সময় নেই। আগামী সংসদে এ বিষয়ে আইন হবে বলে আমি আশা করছি।

সাধারণ মানুষ কীভাবে ফ্যাক্টস চেক করতে পারবেন, সে বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে পিআইডি কাজ করতে পারে। আসলে একটি গুজব যখন ছড়ায়, তখন বুঝতে পেরেও কাউন্টার পোস্ট কেউ দেয় না। ফলে এটি ছড়াতে থাকে। গুজব তো দুই-তিনজনে ছড়ায়। সবাই মিলে কাউন্টার পোস্ট দিলে গুজব ছড়াবে না। সে বিষয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন।

গুজব প্রতিরোধ সেল এবং ফ্যাক্টস চেকিং কমিটিতথ্যমন্ত্রীপিআইডি