হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ মারা গেছেন

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান (জাপা) এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)।

বিজ্ঞাপন

রোববার সকাল পৌনে ৮টার দিকে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। 

সিএমএইচ সূত্র তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে পড়লে গত ২৬ জুন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়েছিল। তিনি ফুসফুসে সংক্রমণসহ বয়সজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে শনিবারের সর্বশেষ ব্রিফিংয়ে এরশাদের ছোট ভাই ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের জানিয়েছিলেন, কিডনি ও লিভারসহ তার প্রধান অঙ্গগুলো কাজ করছে না

তিনি ১৯৩০ সালে পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫২ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন, এরপরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে বিভিন্ন পদে কর্মরত থেকে ১৯৭৮ সালে সেনাবাহিনীর প্রধান পদে অধিষ্ঠিত হন।

এরপরে ১৯৮১ সালের ৩০ মে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পরে আবদুস সাত্তারের নির্বাচিত হয়ে  সরকার গঠন করে। ওই সরকারকে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ উৎখাত করে জেনারেল এরশাদ রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেন। এরপরে তিনি ১৯৮৩-১৯৯০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

এরপর ১৯৯১ সালে জেনারেল এরশাদ গ্রেপ্তার হন এবং তাকে কারাবন্দি করে রাখা হয়। ছয় বছর জেলে থাকার পর ১৯৯৭ সালের ৯ জানুয়ারি তিনি জামিনে মুক্ত হন। এরপর থেকে বিভিন্ন জাতীয় নির্বাচনে জোট ও ভোটের রাজনীতিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন।

উপজেলা পরিষদ প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকার কারণে এরশাদের অনুসারীরা তাকে ‘পল্লীবন্ধু’ খেতাবে ভূষিত করেছেন।

এইচ এম এরশাদএইচএম এরশাদএরশাদজাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদহুসেইন মুহম্মদ এরশাদ