সবার আগে বাজারে সুনামগঞ্জের তরমুজ

সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী দুটি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় এবারের মৌসুমে ব্যাপকভাবে তরমুজের আবাদ হয়েছে। আগাম  চাষ হওয়ায় সবার আগে বাজারে এসেছে সুনামগঞ্জের তরমুজ।

সীমান্তবর্তী উপজেলা বিশ্বম্ভরপুর ও তাহিরপুর উপজেলায় এক দশক ধরে তরমুজ  চাষ করে ভালো ফলন পাচ্ছেন চাষী। অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার বেশী ফলন পাওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা। আগাম ফলন হওয়ায় সারাদেশের বাজারগুলোতে সবার আগে পাওয়া যাচ্ছে সুনামগঞ্জের তরমুজ।

তরমুজ চাষীরা জানান, গত ১০-১২ বছর ধরে তারা তরমুজ চাষ করছেন এবং দিনদিন এর ফলন বাড়ছে।

প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকের মাঠে পাইকার আসছেন তরমুজ কিনতে। নিয়ে যাচ্ছেন ঢাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী, খুলনা, নাটোর, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে। পাইকাররা জানান, সুনামগেঞ্জর তরমুজ আগে বাজারে উঠে তাই তারা সেখানে তরমুজ কিনতে যায়।

বিশ্বম্ভরপুর ও তাহিরপুর উপজেলায় এবার চারশ’ ৫০ হেক্টর জমিতে চাষীরা ড্রাগন, ডোরি, এশিয়ান টুসহ নানা জাতের তরমুজ চাষ হয়েছে। উৎপাদনের  লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক হাজার আটশ’ মেট্রিক টন।

সুনামগঞ্জ কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল হক বলেন, এটি খুব পরিচর্যার ফসল, প্রথম দিকেই পোকাড় আক্রমণ হয়, তাই বেশি সেচ ও ওষুধ দিতে হয়। আমরা চাষীদের জন্য আলাদা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবো।

প্রতিটি তরমুজ ৭০ থেকে একশ’ ২০ টাকায় পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

তরমুজসুনামগঞ্জ