রোহিঙ্গাদের কারণে বাংলাদেশের প্রকৃতির ক্ষতি হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর কারণে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু এ কারণে ওই অঞ্চলগুলোর প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।

রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘গ্লোবাল কনভেনশন অন অ্যাডাপটেশন’র সমাপনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

‘যে পাহাড়ি এলাকাগুলো বন-জঙ্গল ছিল, সেগুলোর গাছপালা কেটে এখন রোহিঙ্গাদের বসতি হচ্ছে। যার ফলে ওই এলাকাগুলো অনেকটাই অনিরাপদ ও ঝূঁকিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। তাই যত দ্রুত তারা নিজেদের দেশে ফিরে যায়, ততই সেটা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল হবে বলে আমি মনে করি।’ বলেন তিনি।

জলবায়ু পরিবর্তনকে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সারাবিশ্ব, বিশেষ করে ছোট ছোট দ্বীপগুলোর জন্য জলবায়ু পরিবর্তনে বিরাট ঝুঁকি রয়েছে। তাই জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

অনুষ্ঠানে জলবায়ু পরিবতর্নের ঝুঁকি মোকাবিলায় কাযর্ক্রম ‌অব্যাহত রাখায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন। তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশের কার্যক্রম প্রণিধানযোগ্য। তাদের কাছ থেকে আমরাও শিক্ষা নিচ্ছি।’

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়ার কর্মসূচি বিশ্বব্যাপী জোরদার করতে মঙ্গলবার থেকে ঢাকায় শুরু হয় গ্লোবাল কনভেনশন অন অ্যাডাপটেশন। জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টসহ বিভিন্ন দেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং মন্ত্রীরা অংশ নেন এই বৈশ্বিক সম্মেলনে।

গ্লোবাল কনভেনশন অন অ্যাডাপটেশনজলবায়ু পরিবর্তনপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাবান কি মুনরোহিঙ্গা