রামুতে পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে ইয়াবা পাচারকারী’ নিহত

কক্সবাজারের রামুতে ডিবি পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ইয়াবা পাচারকারী এক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছ। এসময় ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবাসহ অস্ত্র ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার ভোরে রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কের রামু উপজেলার জোয়ারিয়ারনালা ইউনিয়নের রাবার বাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক (ওসি) মানস বড়ুয়া।

নিহত খোরশেদ আলম (৩০) উখিয়ার কুতুপালংয়ের লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-২ ব্লকের বাসিন্দা মৃত নজির আহমদের ছেলে।

ওসি মানস বলেন, বুধবার ভোর রাতে ইয়াবার একটি চালান পাচার হওয়ার খবরে ডিবি পুলিশের একটি দল রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কের জোয়ারিয়ারনালার রাবার বাগান এলাকায় অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে নাইক্ষ্যংছড়ি দিক থেকে একটি মোটর সাইকেল যোগে ২/৩ জন লোককে আসতে দেখে থামার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। এতে তারা অতর্কিত পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়ে। পরে গোলাগুলি থামার পর অন্যরা পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থলে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে তল্লাশী করে পাওয়া যায় ৩০ হাজার পিস ইয়াবা, ১টি দেশীয় বন্দুক ও ১টি মোটর সাইকেল।

ওসি বলেন, গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। পরে সেখানে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান ওসি মানস।

শেয়ার করুন:
ইয়াবা পাচারকারী নিহতবন্দুকযুদ্ধ