রাজধানীতে চলন্ত ট্রেনে শিশু ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

রাজধানীতে চলন্ত ট্রেনে ১০ বছরের শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় ট্রেনের যাত্রীরা ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত সম্রাট নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। গ্রেপ্তার ওই যুবককে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন সম্রাট।

বিজ্ঞাপন

বুধবার সন্ধ্যায় কমলাপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেনে ধর্ষণের শিকার ওই শিশুটিকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে যাত্রীরা।

এ সময় যাত্রীরা অভিযুক্ত সম্রাটকে আটক করে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরে মধ্য রাতে ভুক্তভোগী শিশুসহ অভিযুক্ত সম্রাটকে হেফাজতে নেয় রেলওয়ে থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা আইভী আক্তার বাদী হয়ে রেলওয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে ওই শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

রেলওয়ে পুলিশ ঢাকা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ওমর ফারুক জানান, ভুক্তভোগী শিশুটির নানি মুগদা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বুধবার বিকেলে শিশুটি হাসপাতালের নিচে নামলে টোকাই সম্রাট ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে তাকে রিক্সাযোগে কমলাপুর রেলস্টেশনে নিয়ে যায়। এরপর তাকে তেজগাঁও ঘুরতে নেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে নিয়ে যমুনা এক্সেপ্রেস ট্রেনে উঠে। তেজগাঁও স্টেশন পার হওয়ার পর ট্রেনের টয়লেটে আটকে ভয় দেখিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে সম্রাট।

যাত্রীদের ভাষ্য অনুযায়ী ওই সময় শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে। চলাফেরা অস্বাভাবিক মনে হলে সম্রাটকে সন্দেহ করে আটকে রাখে। এরপর ট্রেনটি বিমানবন্দর স্টেশনে থামলে পুলিশ শিশুটিকে হেফাজতে নেয় এবং সম্রাটকে আটক করে।

শিশুটিকে প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে রাতেই তাকে কমলাপুর রেলওয়ে পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়। পরে ওই শিশুর কাছ থেকে মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে পরিবারকে খবর দেয়া হলে মা থানায় উপস্থিত হয়ে মামলা দায়ের করেন।

সময় ক্ষেপনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এএসপি ওমর ফারুক বলেন, শিশুকে উদ্ধার ও অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশের কোন গাফিলতি ছিলোনা, বরং দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। গ্রেফতার ওই যুবককে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সম্রাট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

কমলাপুর রেলওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক(এসআই) রুশো বণিক জানান, এ বিষয়ে একটি মামলা (নং-৫) দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটির বাড়ি শরিয়তপুর নড়িয়ায়।

শিশু ধর্ষণ