যেভাবেই হোক জিততে চেয়েছিল বাংলাদেশ

আট বছর পর ওয়ানডে দলে এলেন অথচ ত্রিদেশীয় সিরিজে একটি ম্যাচও খেলার সুযোগ পেলেন না ফরহাদ রেজা। তবে দলীয় সাফল্যই যেখানে বড় সেখানে আক্ষেপ করার সুযোগ থাকে সামান্যই। অভিজ্ঞ এ অলরাউন্ডারের আক্ষেপও যে সেভাবে নেই, প্রকাশ পেল তার কথাতেই।

বিজ্ঞাপন

ডাবলিন থেকে দেশে ফিরেই ফরহাদকে হাজিরা দিতে হল বিসিবিতে। এলিট ক্যাম্পের সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন তিনি। জাতীয় দলে খেলোয়াড় প্রয়োজন হলেই ডাক পড়বে এ ক্যাম্প থেকে। ডাক পাওয়াদের তাই যথাসাধ্য অনুশীলনের মধ্যে থাকতে বলেছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

রোববার দুপুরে মিরপুরের একাডেমি ভবনে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ফরহাদ জানালেন, দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশ দলের হয়ে বিদেশ সফরের অভিজ্ঞতা ও ত্রিদেশীয় সিরিজ জিততে ক্রিকেটারদের মরিয়া থাকার গল্প।

ঘরোয়া ক্রিকেটের পুরস্কার হিসেবে অনেকদিন পর জাতীয় দলের সঙ্গে ট্যুর করলেন। যদিও ম্যাচ পাননি। সবমিলিয়ে অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
অনেকদিন পর গিয়েছি। সবার সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার ব্যাপার ছিল। সবকিছুই ঠিকভাবে হয়েছে। খুব ভালো লেগেছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস, আমরা যেভাবে খেলতে চেয়েছি ওভাবেই খেলতে পেরেছি।

দেশে ফিরেই এলিট ক্যাম্প যোগ দিলেন…
আমরা যখন ওখানে (আয়ারল্যান্ড) গিয়েছি, নামার পরপরই প্র্যাকটিসে জয়েন করেছি। বিসিবি যেহেতু প্র্যাকটিস রেখেছে আমাকে তো জয়েন করতেই হবে।

ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের সাক্ষ্মী হলেন। ফাইনাল জেতার অনুভূতি কেমন ছিল?
আসলে প্রথম থেকে তিন বিভাগেই আমরা খুব ভালো ক্রিকেট খেলেছি। প্র্যাকটিস ম্যাচটি ছাড়া। প্রচণ্ড ঠাণ্ডা ছিল, তাই সফরের শুরুতে মানিয়ে নেয়া কঠিন ছিল। পরে মাশরাফী ভাই ড্রেসিংরুমে অনেক কথা বলেছে, যেটা সবাইকে উদ্দীপ্ত করেছে। ফাইনাল ম্যাচে তো সবাই খুব ভালো করেছে।

যখন বিপিএলে

২৪ ওভারে ২১০ রান বাংলাদেশ করতে পারবে ভেবেছিলেন?
কখনোই এক মুহূর্তের জন্যও মনে হয়নি ম্যাচটা হারব আমরা। কারণ সবার মধ্যে এই জেদটা ছিল, ভালো সুযোগ (ফাইনাল জেতার) তাই দরজা থেকে ফিরে যাওয়া যাবে না। অতীতে যেমন হয়েছে। সবার মাথায় ছিল যেভাবেই হোক চেষ্টা করবো ম্যাচটা জিততে।

আপনার ক্যারিয়ার শুরুর সময় এবং এখনকার জাতীয় দলের মধ্যে কেমন পরিবর্তন দেখেন। দুই সময়ের মধ্যে যদি পার্থক্য করেন।
দিন দিন উন্নতি হবে, তাই না। এক জায়গায় তো থাকবে না। দুই বছর পর দেখবেন আরও উন্নতি হয়েছে। এটা হতেই থাকবে।

সাকিব আর আপনি এক ম্যাচেই অভিষিক্ত (টি-টুয়েন্টি) হয়েছেন। একই সময়ের ক্রিকেটার। সাকিবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আগাতে পারেননি আফসোস হয়?
আফসোস নয়। যে ভালো খেলবে সে থাকবে, যে খারাপ খেলবে চলে যাবে, এটা তো নিয়ম।

ক্যারিয়ারের শেষ সময়ে এসে মোটিভেশন পান কীভাবে?
বলতে পারব না এখনই শেষ কিনা। যেখানেই খেলি শতভাগ দিয়ে খেলার চেষ্টা করি। যেটা আপনি বললেন মোটিভেশন, সেটা হল আমার প্র্যাকটিস করতে খুব ভালো লাগে।

ট্রফিত্রিদেশীয় সিরিজবাংলাদেশ ক্রিকেট দলবাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নবাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজমাশরাফীলিড স্পোর্টসশিরোপা