মাঠ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন কুম্বলে-লারার

মাথায় ছাতা নিয়ে চলাফেরা করা চলতি বিশ্বকাপের সবচেয়ে পরিচিত দৃশ্যগুলোর একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আসরের এক তৃতীয়াংশ সময় না পেরোতেই চারটি ম্যাচ পরিত্যক্ত। বৃষ্টির কারণে সবশেষ ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে এক বলও মাঠে গড়াতে পারেনি। অনিল কুম্বলে এমন অব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। ভারতের সাবেক স্পিনারের সঙ্গে গলা মিলিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তি ব্রায়ান লারাও।

বিজ্ঞাপন

ভারত ও নিউজিল্যান্ডের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ দেখার জন্য ক্রিকেটপ্রেমীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন। তবে বৃষ্টির কাছে হেরে যায় ক্রিকেট। ধারাবাহিক বৃষ্টির কারণে শেষ পর্যন্ত অফিসিয়ালরা খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হয় দুদলকে।

বৃষ্টির কারণে পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ-সাউথ আফ্রিকা ম্যাচের পর পরিত্যক্ত হল ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচও। চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত অনেক দলের চেয়েও বৃষ্টির পয়েন্ট বেশি!

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আগে থেকেই বৃষ্টির সম্ভাবনা ছিল। তারপরও নটিংহ্যামের মাঠে বৃষ্টি ঘিরে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেয়া হয়নি বলে কঠোর সমালোচনা করেছেন স্টার স্পোর্টসের বিশেষজ্ঞ প্যানেলে থাকা কুম্বলে।

‘আমার প্রশ্ন হল এখানে প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে, চলতি সপ্তাহে প্রচুর বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস ছিল। তারা কি নটিংহ্যামে বৃষ্টি থেকে পিচ রক্ষা করার জন্য বেশি ত্রিপল দিয়ে ঢাকতে পারত না?’

ইংল্যান্ডে একটা সুবিধা হচ্ছে যে এখানে বেশ বড় কভার রয়েছে। কিন্তু এখানকার অসুবিধা হল, যখন আজকের মতো বৃষ্টি হয় তখন বোলিং এরিয়ার চারদিকে ভেজা থাকে’ যোগ করেন কুম্বলে।

স্টার স্পোর্টসের বিশেষজ্ঞ প্যানেলে থাকা ব্রায়ান চার্লস লারাও কুম্বলের সঙ্গে একমত হন। টেস্টের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক বলেন, ‘এটি অনেক বড় টুর্নামেন্ট। অনেক অর্থ টুর্নামেন্টে ব্যয় করা হয়ে থাকে। এটির (বৃষ্টির হুমকি) বড় সম্ভাবনা ছিল। তাদের চিন্তা করা উচিত ছিল, চলো আমরা বাড়তি কভার রাখি, কিছু অতিরিক্ত কর্মী রাখি, যাতে করে একটু ক্রিকেট খেলা হতে পারে।’

আইসিসিইসিবিকুম্বলেবিশ্বকাপ-২০১৯লারা