ভোলায় ৭ম শ্রেণির ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার

ভোলা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে স্কুলে যাওয়ার সময় তুলে নিয়ে বাসায় আটকে রেখে দিনভর গণধর্ষণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মাদকসেবী গোলাম আরিফ, গাজীপুর রোডের তরিকুল ইসলামের ছেলে মেহেদী, সোহানসহ আরও ৫ থেকে ৬ বখাটে ওই ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় গোলাম আরিফ, মেহেদী ও সোহানের নাম উল্লেখ করে আরো ৫/৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে গত রোববার ভোলা সদর মডেল থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর বাবা। ভোলা থানায় মামলা নং ৮১/১৯।

ধর্ষণের শিকার ওই স্কুলছাত্রী হাসপাতালের বেডে অসহনীয় যন্ত্রণায় গত কয়েক দিনে কথা বলতে না পারলেও এ ঘটনায় এখনও আরিফসহ কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর মা জানান: আমার মেয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে তাকে উঠিয়ে নিয়ে আরিফের বাসায় আটকে রেখে তার বন্ধুরা মিলে দিনভর ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে আমরা সেখান থেকে মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি।

হাসপাতালে কর্তব্যরত একজন নার্স বলেন: রোগীকে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো নেশাজাতীয় দ্রব্য খাওয়ানো হয়েছে। তাও মাত্রাতিরিক্ত ভাবেই খাওয়ানো হয়েছে। তাই এখনও সে ভালো করে কথা বলতে পারছে না।

ভোলা সদর থানার ওসি মোঃ ছগির মিয়া বলেন: ধর্ষণের ঘটনা শোনার সাথে সাথে আমরা মামলা নিয়েছি। ভিকটিমের মেডিক্যাল পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে। আসামিদের আটকের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গণধর্ষণভোলায় স্কুল ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার