বুঝতে না পারায় সংসদে এক বিষয়ে দু’বার ভোট

সকল প্রকার তামাকজাত দ্রব্যের ওপর সুনির্দিষ্ট করারোপের বিষয়ে বেসরকারি সদস্যের সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের বিষয়ে প্রথমবার বোধগম্য না হওয়ায় দ্বিতীয়বার ভোটে দিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার।

বিজ্ঞাপন

পরে এর প্রস্তাবক সাবের হোসেন চৌধুরীসহ অন্য সংসদ সদস্যরা দু’বার ভোটে দেওয়া প্রসঙ্গ নিয়ে সংসদে বক্তব্য দেন।

জাতীয় সংসদে ঢাকা ৯ আসনের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী সকল তামাকজাত দ্রব্যের ওপর প্রচলিত অ্যাড-ভেলোরাম পদ্ধতির পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট করারোপের জন্য বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাবে উত্থাপন করেন।

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সিদ্ধান্তটি গ্রহণ না করে তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। তবে সাবের হোসেন চৌধুরী তা প্রত্যাহার না করলে বিষয়টি ভোটে দেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

ভোটের পর সাবের চৌধুরী আবার কথা বলতে চাইলে তাকে কথা বলার সুযোগ দেন স্পিকার।

সাবের হোসেন চৌধুরীর প্রস্তাবে বলা হয়, সংসদের অভিমত এই যে, সকল প্রকার তামাকজাত দ্রব্যের ওপর প্রচলিত অ্যাড–ভেলোরাম পদ্ধতির পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট করারোপ করা হউক।

স্পিকার ভোটে বলেন, সাবের হোসেন চৌধুরীর এই প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করা হোক, যারা এর পক্ষে আছেন তারা “হ্যাঁ” বলুন। খুব কমসংখ্যক সদস্য হ্যাঁ বলেন। স্পিকার বলেন, ‘যারা এর বিপক্ষে আছেন তারা “না” বলুন। বেশিরভাগ সদস্য ‘না’ বলেন।

অর্থাৎ বেশিরভাগ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরীর প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দিয়ে দেন। এসময় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে হাসতে দেখা যায়। পরে তিনি বলেন, তিনি আবার সব সদস্যের মনোযোগ আকর্ষণ করছেন। তিনি প্রস্তাবটি আবার পড়ে শোনান এবং দ্বিতীয় দফা ভোটে দেন। দ্বিতীয় দফায় ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হয়। এতে সাবের হোসেন চৌধুরীর প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যাত হয়।

সাবের হোসেন চৌধুরীকে সমর্থন জানিয়ে বাংলাদেশের ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি এবং সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন বক্তব্য রাখেন।

দু’বার ভোট কেন নেওয়া হয়েছে সে বিষয়টিও পরিষ্কার করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী। পরে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ৩শ’ বিধিতে বিবৃতি দেন।

তামাকজাত দ্রব্যের ওপর করারোপসংসদসংসদ অধিবেশনস্পিকার