নিরাপদ বিশ্বকাপ উপহার দিতে আশাবাদী ইংল্যান্ড

সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেট খেলুড়ে কয়েকটি দেশে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। সঙ্গত কারণেই একদিন পরের বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ঘিরে কিছুটা হলেও শঙ্কা থাকছে। তবে দ্বাদশ বিশ্বকাপের আয়োজকরা সফল ও নিরাপদ টুর্নামেন্ট আয়োজনের ব্যাপারে বেশ আশাবাদী।

গত মার্চে নিউজিল্যান্ডে জুম্মা’র নামাজের আগমুহূর্তে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় নড়েচড়ে বসে গোটাবিশ্ব। কিউই সফরে থাকা বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা সেই মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন। অল্পের জন্য বেঁচে ফেরেন টাইগাররা।

এরপর ইস্টার সানডের অনুষ্ঠান চলাকালীন শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসী হামলা হয়। অন্যদিকে গত বছরের শেষদিকে দুই শত্রু-ভাবাপন্ন দেশ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার বৈরী পরিবেশ এবং সীমান্ত উত্তেজনার ফলে নিরাপত্তা শঙ্কা দেখা দেয়। তাছাড়া বিশ্বের নানা প্রান্তে তো সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটছে নিত্যই।

এতকিছুর পরও আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে নিরাপদ টুর্নামেন্ট আয়োজনের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করা হচ্ছে। বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ডিরেক্টর জিল ম্যাকক্র্যাকেন শুনিয়েছেন আশার কথাই।

‘টুর্নামেন্টের কাছাকাছি সময়, যখন এমন ঘটনা ঘটে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা হলেও চিন্তার রেখা তৈরি করে। তবে শঙ্কা মোকাবেলায় আমরা সম্ভাব্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। গ্রেট ব্রিটেনে সাধারণত লোকারণ্য জায়গায় (সন্ত্রাসী হামলার) হুমকি থাকে। কেননা, তারা (সন্ত্রাসীরা) লোকারণ্য জায়গাকেই বেছে নেয়। তবে ভেন্যু, টিম এবং সার্বিক বিষয়ে আমাদের প্রস্তুতির দিকে তাকালে আপনারা স্পষ্ট বুঝতে পারবেন যে, শঙ্কা অনেকটাই কমিয়ে এনেছি।’

আসন্ন বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতসহ অন্য দলগুলো যে মাঠের খেলায় স্লেজিংয়েরও অবতারণা করবেন সেটি সহজেই অনুমেয়! আচরণগত বিষয়ে সবাইকে সাবধানী হওয়ার জন্য অবশ্য কার্যত হুমকি দিয়ে রেখেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডেভ রিচার্ডসন মনে করিয়ে দিলেন সেটাই।

‘স্লেজিংকে সংজ্ঞায়িত করা বরাবরই কঠিন। তবে সব দলের প্রেস ব্রিফিংয়েই আমরা স্ট্যান্ডার্ড আচরণ বজায় রাখার জন্য জোর দিয়ে থাকি। কোনো ক্ষতিকারক কিংবা ব্যক্তিগত আক্রমণ করে দেয়া মন্তব্য কিছুতেই গ্রহণযোগ্য হবে না।’

আইসিসিইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস বিশ্বকাপবিশ্বকাপ-২০১৯লিড স্পোর্টস