নিজেদের ফলানো আলু তুলে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

বিজ্ঞাপন

হৃদয়ে মাটি ও মানুষের উদ্যোগ ফিরে চল মাটির টানে জুনিয়রের ৫ম  আয়োজনে রাজধানীর স্কলার্স ইনস্টিটিউশনের শিক্ষার্থীরা নিজেদের লাগানো আলু বীজের ফসল তুললেন।

বিজ্ঞাপন

নিজ হাতে লাগানো বীজের আলু পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা বললেন, এ কাজের মাধ্যমে গ্রামীণ মাটির সম্ভাবনা ও কৃষকের কষ্ট যেমন তারা উপলব্ধি করতে পারলেন তেমনি আলু ফলনের পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা অর্জন করলেন।

রাজধানীর স্কলার্স ইনস্টিটিউশনের ২০ শিক্ষার্থী মুন্সিগঞ্জের বাগেশ্বরে আলু বীজ লাগিয়ে ছিলেন ৩ মাস ৮ দিন আগে। হৃদয়ে মাটি মানুষের ফিরে চল মাটির টানে জুনিয়র  কার্যক্রমে তারা আবারো মুন্সিগঞ্জে নিজ হাতে লাগানো আলু ক্ষেতে।

কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজের পরিচালনায় কার্যক্রমে যুক্ত হন স্থানীয় কৃষকরাও। মুন্সিগঞ্জের অন্যান্য আলু ক্ষেতের কৃষকদের মতোই ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা  নিজেদের লাগানো আলু ক্ষেতের আলু তোলেন। ২০টি সারিতে প্রায় দু ঘন্টা ধরে ২০ শিক্ষার্থী। কারো সারিতে ৮ কেজি বা  কারো পাঁচ কেজি। এ নিয়ে নিজেদের  মধ্যে উচ্ছ্বাস, উত্তেজনা।

বিজ্ঞাপন

ক্ষুদে শিক্ষাথীরা বলেন, এটা লাগিয়ে আমরা যেমন দেশের মাটিকে ভালোভাবে স্পর্শ করতে পারলাম, তেমনি কৃষক কীভাবে আলু চাষ তথা কৃষি কাজ করে সেটা অনুভব করতে পারলাম।

স্থানীয় কৃষকরা ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের  মাটির প্রতি মমত্ববোধ ও ভালোবাসা দেখে মুগ্ধ। কৃষকরা শিক্ষার্থীদের জানালেন, কি কি কারণে আলুর ফলন ব্যাহত হতে পারে।

কৃষকরা জানান, এবার কয়েক দফা ওষুধ ব্যবহারের পরও আলুতে ফলন কম হয়েছে। ওষুধ দেওয়ার পরও কেন পোকা কেন গেল না সেটা তারা জানেন না।

এমন আয়োজন গ্রাম, কৃষক ও কৃষি সম্পর্কে শহরের শিক্ষার্থীদের আরো বেশি আগ্রহী করে তুলবে বলে মনে করেন অংশগ্রহণকারী স্কুলের শিক্ষক। মৌটুসী বড়ুয়া বলেন, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অনেক জ্ঞান অর্জন করলো। দেশ এবং দেশের কৃষি উপর তাদের অভিজ্ঞা হলো।

৫ম আয়োজনে সফল আলু ফলনকারী রাজধানীর শিশু কৌতুহলী কৃষকদের ফেলো  সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। শহরের শিশু কিশোর তরুণদের সাথে গ্রাম, কৃষি ও কৃষকদের যোগসূত্র স্থাপনের এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান কৃষক ও গ্রামের মানুষ।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ফিরে চল মাটির টানে