নারী আসনে সরাসরি ভোট হলে ইতিহাস গড়তো একাদশ জাতীয় নির্বাচন

সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি নির্বাচন এবং সংসদে নারী আসন সংখ্যা এক তৃতীয়াংশ করতে দীর্ঘ দিনের দাবি মহিলা পরিষদের। তারা মনে করে, দাবি পূরণে ব্যক্তি শেখ হাসিনা এবং একমাত্র তার দলই অঙ্গীকারাবদ্ধ। বর্তমান সংসদে দলটির একচ্ছত্র সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় নারী আসনে সরাসরি ভোট করে ইতিহাস হতে পারতো একাদশ জাতীয় নির্বাচন।

বিজ্ঞাপন

বর্তমান জাতীয় সংসদে ২০ জন নারী সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছেন, যা মোট আসনের সাড়ে ছয় শতাংশ। অপর দিকে সংরক্ষিত আসনে সংসদে ৫০ জন নারী প্রতিনিধিত্ব করছেন। সবমিলিয়ে জাতীয় সংসদে মোট আসনের ২০ শতাংশ নারী। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বলছে, নারীবান্ধব দল হিসেবে স্থানীয় ও প্রশাসনিক পর্যায়ে নারীর ক্ষমতায়নে উদ্যোগ নিয়েছে আওয়ামী লীগ।

মহিলা পরিষদ মনে করে, সংরক্ষিত আসনে নারীদের নির্বাচন এক ধরনের প্রতীকী ব্যবস্থা। এতে রাজনীতিতে নারীর প্রকৃত ক্ষমতায়ন হচ্ছে না। অবশ্য সংরক্ষিত আসন থেকে পরে তিনবার সরাসরি ভোটে নির্বাচিত এমপি সাগুফতা ইয়াসমিন মনে করেন, নারীদের সরাসরি নির্বাচনে প্রস্তুতির জন্য সংরক্ষিত আসন গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ।

মহিলা পরিষদ মনে করিয়ে দিয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, ২০২০ সালের মধ্যে সব রাজনৈতিক দলের এক তৃতীয়াংশে নারীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিধান আছে।

একাদশ জাতীয় নির্বাচনগণপ্রতিনিধিত্ব আদেশসংরক্ষিত নারী আসনসেমি লিড