নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে দুই তরুণের বায়োফ্লক প্রকল্প

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ শুরু করেছেন নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের শিক্ষিত দুই তরুণ। বিনিয়োগের প্রথম বছরেই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জনে আশাবাদী তারা।

শিল্প কারখানার মতো পানি ফুটছে বাড়ির আঙিনায়। বিশাল আকারের আটটি চৌবাচ্চাকে ঘিরে জহিরুল হক ও মুস্তাফিজুর রহমানের কর্মজীবন। দুজনই উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে ভালো চাকরি করতেন; অধিক ঘনত্বে মাছ চাষের আধুনিক পদ্ধতি ‘বায়োফ্লক’ সম্পর্কে জানার পর হয়ে পড়েছেন পুরোদস্তুর খামারি।

তারা জানান, একেকটি চৌবাচ্চায় রয়েছে সাড়ে ১৭ হাজার লিটার পানি। প্রচলিত পদ্ধতিতে পুকুরের এই আয়তনে মাত্র ২শ’ মাছ চাষ করা সম্ভব। এখানে চাষ হচ্ছে ৩ হাজার মাছ।

উদ্যোক্তারা বলছেন, এই পদ্ধতিতে বিস্ময়কর বেশি ঘনত্বে মাছ চাষ করা সম্ভব, যেখানে খাদ্য খরচ প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় এক-চতুর্থাংশ।

মাছের বর্জ্য থেকে পুষ্টিসম্মত খাদ্য উৎপাদনের বিজ্ঞানসম্মত এই চাষ ব্যবস্থায় অভাবনীয় সাফল্য দেখছেন তারা।

বিস্তারিত দেখুন ভিডিও প্রতিবেদনে:

নারায়ণগঞ্জ-মাছ চাষবায়োফ্লকমাছ চাষ