গণরুম সংস্কৃতি থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করবে ঢাবি প্রশাসন

উপাচার্যের আশ্বাস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, চলতি বছর থেকেই গণরুম সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করবে প্রশাসন।

এছাড়া নতুন ভর্তি শিক্ষার্থীদের এ বছর থেকেই প্রশাসনের মাধ্যমে হলে সিট প্রদান করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠকে এ বক্তব্যের পর আন্দোলন থেকে সরে আসার ঘোষণা দেন আন্দোলনের নেতা ডাকসু সদস্য তানভীর হাসান সৈকত।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের গণরুমের শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপাচার্যের বাসভবনে উঠতে গিয়ে প্রক্টরিয়াল টিমের বাধার মুখে পড়েন ডাকসু নেতা তানভীর হাসান সৈকত।

পরে শিক্ষার্থীরা বাসভবনের সামনেই বসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। গণরুম সংকট সমাধান করতে বেঁধে দেওয়া ১৫ কার্যদিবস শেষ হওয়ায় উপাচার্যের বাসভবনে উঠতে যান তিনি।

ডাকসু নির্বাচনের সময় গণরুম সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন ডাকসুর সদস্য তানভীর হাসান সৈকত। কিন্তু আশ্বাস পূরণ করতে না পেরে নিজেই গণরুমে থাকছেন তিনি। আবাসন সমস্যার সমাধানে উপাচার্য বরাবর তিনি স্মারকলিপিও দিয়েছেন।

গত ১ অক্টোবর সমস্যা সমাধানে ১৫ কার্যদিবসের আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন সৈকত। এর প্রেক্ষিতে উপাচার্য প্রভোস্ট কমিটির সভা ডেকে হল প্রাধ্যক্ষদের মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

এরপরও কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় গণরুমের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক উপাচার্যের বাসভবনে ওঠার ঘোষণা দেন তিনি। ২৯ অক্টোবর ১৫ কার্যদিবসের আল্টিমেটাম শেষ হওয়ায় মঙ্গলবার উপাচার্যের বাসভবনে উঠতে গিয়ে বাধা পান ডাকসু নেতা সৈকত।

ডাকসুঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-গণরুমতানভীর হাসান সৈকত